Sumaiya Zaman Prity

September 10, 2021 0 By JAR BOOK

কবি ও লেখক পরিচিতি

Sumaiya Zaman Prity

Student 

Thana stand, Savad

৷৷ মায়া।।

আজ অচলার গায়ে হলুদ। এইদিন নিয়ে সব মেয়েদেরই অনেক স্বপ্ন থাকে। কিভাবে সাজবে, কিভাবে ছবি তুলবে, কি ক্যাপশন দিয়ে ফেসবুকে আপলোড দিবে। কিন্তু কেন জানি অচলার ইচ্ছে করছে নির্জন কোনো জায়গায় গিয়ে কিছুক্ষণ একা বসে থাকতে। গত দুইদিন ধরেই বাসায় আত্নীয়- স্বজনদের আনাগোনা। এদের মধ্যে খুব অল্প মানুষকেই অচলা চিনে। কারোর কারোর কথা অবশ্য তার মার মুখ থেকে শোনা যেত। এদের বেশিরভাগ ভাগেরই দাবি এরা অচলাকে অনেক ছোট থাকতে দেখেছিল । একজন তো অচলাকে বলছিল , “” এই যে মামণি, আমার কথা তোমার মনে আছে ? আমি তোমার মামী হই সম্পর্কে, হামাগুড়ি দেয়া শিখলে যখন তখন ছুট পেলে আমার কাছেই আসতে মনে আছে? কত বড় হয়ে গেছো “” অথচ অচলা এনাকে চিনেও না এনার কথাও কোনোদিন শুনে নাই।

অচলার পরিবারের সবাই অনেক খুশি। সবাই বরের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। অচলার মা গর্ব করে সবাইকে বলছে, সরকারি চাকরি কিছুদিন পরেই প্রমোশন পেয়ে প্রথম ক্লাস কর্মকর্তা হয়ে যাবে। বয়স একটু বেশি কিন্তু তাতে কি আজকাল ক্যারিয়ার গড়তে গড়তে বয়স কোনদিক দিয়ে বেড়ে যায় বোঝাই যায় না। আচ্ছা, সবাই এত খুশি কিন্তু অচলা কেন খুশি হতে পারছে না?

অচলার কোনোদিন প্রেম ছিল না বা তাকে ভালোবাসার মতও কেউ ছিল না । সে দেখতে আহামরি সুন্দরী তাও তো নয়। আর পাঁচটা বাঙালি মেয়ের মত মুখের গড়ন, শ্যামলা গায়ের রং, উচ্চতায় খাটো। পড়াশোনায় ও কোনদিন খুব একটা ভালো ছিল না। প্রতিবার-ই টেনেটুনে পাশ করছে। এর থেকে ভালো বিয়ে বা ভালো ভবিষ্যৎ কিভাবেই বা সে আশা করতো?

তার মধ্যবিত্ত বাবা অনেক কষ্টে তাদের চার ভাইবোনকে বড় করেছে। বাকি দুই বোন দেখতে যেমন সুন্দরী, পড়াশোনায় ও মেধাবী। ভাইটি সবে একটি চাকরি পেয়েছে। সবকিছুই যখন এতো ভালোভাবে চলছে তারপরেও কেন তার কিছু ভালো লাগছে না? কেন তার ঐ রোগা, কালো, হাবলা লোকটার কথা মনে পড়ছে? তার চাকরিও তো খুব একটা ভালো ছিল না।

ঠিক একমাস আগে অচলাকে ছেলেপক্ষ দেখতে এসেছিল । এর আগে দুই-তিনজন অচলাকে দেখে গিয়েছিল কিন্তু কোনো পক্ষ-ই তাকে পছন্দ করেনি। এবার যে লোকটি আসবে তার নাম হাফিজ। সময়ের আগেই লোকটি তার মামা,মামী, বন্ধু নিয়ে হাজির। তার মামা বললো, “” ওর অফিসের কাজ তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে গেলো তাই আগে আগেই চলে আসলাম “”। অচলার ছোট বোন কাজলা এসে বললো,”” আপু, লোকটাকে মনে হয় খেতে দেয় না, একদম পুষ্টিহীন আর হাবলার মত একদিকে তাকিয়ে থাকে। আমার তো এনাকে একটুও পছন্দ হয়নি। এর থেকে এর আগের বারের ছেলেগুলো ভালো ছিল। বাবা যেন তোমাকে বিদায় দিতে পারলে হাফ ছেড়ে বাঁচে।”” এসব শুনে অচলা চুপ করে থাকলো। প্রায় আধাঘন্টা পর অচলাকে ছেলেপক্ষের সামনে নিয়ে যাওয়া হলো। সবার দৃষ্টি আচলার দিকে। অচলার মনে হচ্ছিল,সে যেন একটি শো-পিছ যাকে সাজিয়ে রাখা হয়েছে সবার দেখার জন্যই। একপলকের জন্য সে ছেলের দিকে তাকালো কিন্তু কি যেন তাকে সেখানেই আটকে দিয়েছিল, কিছুক্ষণ পর লজ্জা পেয়ে সে নিচের দিক চোখ নামিয়ে নিল। বিশ মিনিট প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে অচলাকে নিজের রুমে দিয়ে যাওয়া হলো। একটুপরেই অচলার আরেক বোন মণি এসে বলল, লোকটি নাকি তার সাথে একা কথা বলতে চেয়েছে। ছাদে তার জন্য অপেক্ষা করছে।

ছাদে যাওয়ার পর ছেলেটাকে সে প্রথম ভালোভাবে দেখল। বেশ লম্বা, তার সাথে দাড়ালে অচলাকে লিলিপুট দেখাবে। লোকটা হঠাৎ অচলাকে জিজ্ঞেস করলো, “” অচলা, কেমন আছেন আপনি ? লোকটির মুখে নিজের নাম শুনে অচলা অবাক হয়ে গিয়েছিল।লোকটির কন্ঠস্বর অসম্ভব সুন্দর। অচলা মনে মনে ভাবছিল, এত সুন্দর করেও কেউ কাউকে ডাকতে পারে? এই মধুর ডাক সারাজীবন শুনতে পারলে খারাপ হয় না। নিজের মনের এই ভাবনায় অচলা লজ্জা পেয়ে যায়। লজ্জামাখা কন্ঠে উত্তর দিল, এইতো আছি বেশ। আপনি কেমন আছেন? লোকটি শুধু বললো, ভালো। হঠাৎ তাকে প্রশ্ন করলো, আমাকে আপনার কেমন লেগেছে? অচলা কি উত্তর দিবে বুঝে উঠতে পারছিল না। তাকে ভাবতে দেখে লোকটি বললো, আপনাকে কিন্তু আমার ভালো লেগেছে। আপনার চোখ দুটো অনেক মায়াবী। কাজল বেশ মানায় আপনাকে। আচ্ছা আপনি সব জেনেশুনেও বিয়েতে মত দিবেন? কোনো প্রশ্ন জাগে নি আপনার মনে? আপনি চাইলে আমাকে প্রশ্ন করতে পারেন। অচলা লোকটির কথা বুঝতে পারছিল না। এমনকি বোঝার চেষ্টাও করছিল না। তার কানে কথাগুলো গিতের মত বাজছিল, তার শুধু শুনতেই ইচ্ছা করছিল।
আপনি কি লজ্জা পাচ্ছেন?
অচলা আবারও চুপ।
লোকটি বললো আমার নাম তো জানেন তাই না?
আমার নাম মোহাম্মদ হাফিজ। আমার বাবা আমাকে হিমালয় ডাকত। হিমুর অনেকবড় ফ্যান ছিলেন আমার বাবা। হিমু পড়েছেন তো?
অচলা উত্তর দিল, কিছু কিছু পড়েছি। ভালো লাগেনি। ভবঘুরে, নাস্তিক টাইপ মানুষ। আমার তো শুভ্রকে ভালো লাগে।
লোকটি হঠাৎ জোরে হেসে বললো, আমার কিন্তু হিমুকে পছন্দ। অচলা লক্ষ্য করলো লোকটির হাসি অনেক সুন্দর । হাসলে মনে হয় তার সাথে পুরো পৃথিবী হাসছে। তার হাসি যেন আনন্দের বন্য নিয়ে আসে৷ লোকটি বললো, ফোন আছে আপনার নিশ্চয়ই। যদি আপনার আপত্তি না থাকে তাহলে আপনার নাম্বারটা। আসলে একদিনে কিছুক্ষণের পরিচয়ে দুইজন দুইজনের সাথে সারাজীবন থাকতে পারবে এমনটা আমি বিশ্বাস করি না। এখন আমাকে যেতে হবে, নাম্বারটা থাকলে একটু সুবিধা হতো আরকি। অচলা বিনা সংকোচে নাম্বার দিয়ে দিল।

সেইদিন সারারাত অচলার ঘুম হলো না। শুধু মনে হলো ঘুমিয়ে গেলে, লোকটির মুখের অচলা ডাক শোনা মিস হয়ে যাবে। সেইদিন রাতে কোনো ফোন এলো না, তারপরের দুইদিনও এলো না৷ অচলা মনে মনে ভাবলো হয়ত তার মনেই নেই অচলার কথা। রাতে অচলা মন খারাপ করে ঘুমাতে গেল কিন্তু ঘুম আসলো না। হঠাৎ ফোন বেজে উঠলো। একমুহূর্ত দেরি না করে সে ফোন রিসিভ করে, হ্যালো বললো। ওপাশ থেকে বললো, “” অচলা আমি হিমালয়। কেমন আছো তুমি?””
অচলার তার শরীরে কম্পন অনুভব করলো। কেন জানি তার চোখে পানি চলে এসেছিল। নিজেকে সামলে উত্তর দিল, “” এইতো বেশ। আপনি কেমন আছেন?”” হিমালয় বললো,”” বেশি ভালো না। অফিসে কাজের অনেক প্রেশার। এই দুইদিন অনেক ব্যস্ত ছিলাম। তারপর প্রশ্ন করলো, আচ্ছা অচলা তোমার চাকরি করার ইচ্ছা নেই?”” অচলা দীর্ঘশ্বাস ফেলে উত্তর দিল, “” চেয়েছিলাম তো। কিন্ত বাবা বললেন, আমার যে রেজাল্ট তাতে নাকি চাকরি জুটবে না, বিয়ে করে সংসার সামলাতে পারবো কিনা এতেই তার সন্দেহ আবার চাকরি। বাবা সবসময় কাজলা আর মণিকে নিয়ে বড় স্বপ্ন দেখে, তাদের নাকি অফিসার বানাবে। আর আমাকে নাকি ভালো হাতে তুলে দিতে পারলেই সে খুশি৷”” এসব শুনে ওপাশ থেকে বললো, আপনি যদি বিয়ের পর চাকরি করতে চান, করতে পারেন, বলেই লোকটি মনে হয় লজ্জা পেয়ে গেলো। বললো, আই মিন সব মেয়েরই নিজের পায়ে দাড়ানো উচিত আর সেটা শুধুমাত্র নিজের জন্য। আপনি চাইলে অবশ্যই পারবেন চাকরি ও সংসার দুটোই একসাথে সামলাতে। অচলা মনে মনে ভাবলো, কই কেউ তো কোনদিন এভাবে তার উপর বিশ্বাস করেনি। তাকে প্রেরণা দেইনি। এর আগের বারের ছেলেগুলো তাকে বলেছিল, তারা নাকি সংসারী মেয়ে চায় আর যেহেতু তারা যথেষ্ট রোজগার করে সেহেতু তারা বউকে দিয়ে রোজগার করাবে না।

হিমালয় প্রশ্ন করলো, আচ্ছা আপনি তো বললেন না আমাকে আপনার কেমন লেগেছে? অচলা উত্তর দিল আপনাকে আমার ভালো লাগলেও আপনার সাথে বাসা থেকে আমার বিয়ে দিবে না লাগলেও। তাই আর এর উত্তর দিচ্ছি না। লোকটি হেসে বললো, আপনার আমাকে ভালো না লাগলে আমি নিজেই এই বিয়ে করবো না। অনেকরাত হয়েছে ঘুমিয়ে পড়েন। শুভরাত্রি।

সেদিনও সারারাত অচলার ঘুম হলো না।

পরেরদিন অচলার বাবা মিষ্টি নিয়ে এসে সবাইকে জানালো, ছেলেপক্ষের মেয়ে পছন্দ হয়েছে। তারা আগামী সপ্তাহে বিয়ের ডেট ঠিক করে আংটি পড়িয়ে দিবেন। বাবা অনেক খুশি কারণ ছেলের সরকারি চাকরি না হলেও বেতন ভালো আর গ্রামে পাকা দালান আছে। ঢাকায় ফ্ল্যাট কেনার পরিকল্পনা আছে। অচলা সেইদিন নামাজে বসে দোয়া করলো, সে যেন সারাজীবন ঐ হাবলা লোকটার সাথে সুখী থাকতে পারে। তার দুইদিন পর অচলা ও তার বোনদের নিয়ে হিমালয় ঘুরতে বের হলো। সবাইকে নিয়ে রেস্টুরেন্টে খেতে গিয়ে, লোকটা স্যুপের বাটি নিজের গায়ে ফেলে হাবলার মত অচলার দিকে তাকিয়ে থাকলো আর বার বার সরি বলতে থাকলো। অচলার বোনগুলো তো হেসেই বেহুশ। দেখে অচলার বড় মায়া হলো। বাসায় এসে যদিও অনেক রাগ হলো কারণ কাজলা আর মণি সবাইকে বলছিল এত বড় মানুষ আর খাওয়ার সময় কি কান্ড না করে। রাতে অচলা স্বপ্ন দেখল, সে আর হিমালয় এক রেষ্টুরেন্টে খেতে গিয়ে হিমালয় সব খাবার নিজের শার্টে ফেলে হিহি করে হাসছে আর অচলা বলছে, তুমি কি বড় হবা না। তারপর দুইজন একসাথে আকাশ ফাটিয়ে হাসছে।

সকালে একটু বেলা করেই অচলার ঘুম ভাঙ্গল । উঠে সে খেয়াল করলো, সবার মুড অফ। মাকে দেখে মনে হচ্ছে কান্না করেছে। কোনো এক অজানা ভয়ে অচলা কিছু জিজ্ঞেস করার সাহস পেল না। দুপুরে মণি এসে বললো আপু বাবা তোমাকে বসার ঘরে ডাকছে। বসার ঘরে গিয়ে অচলা দেখল অচলার চাচাও এসেছে এবং তার মুখ গম্ভীর। অচলার বাবা হঠাৎ বললো, মেয়ে আমার সারাজীবন বাসায় বসিয়ে রাখতে হলেও আমি ঐ ছেলের সাথে মেয়ে বিয়ে দিব না। আমার মেয়ে এত ফেলনা না যে একটি খুনির সাথে মেয়ে বিয়ে দিয়ে ঝামেলা মুক্ত হবো। এত বড় একটা সত্যি এরা গোপন করলো কোন সাহসে। সহজসরল পেয়ে আমাদের ঠকাতে চেয়েছিল। মা অচলা, আজ তোর এই হাশেম চাচা না থাকলে তোর জীবনটা নষ্ট হয়ে যেত। ছেলেটার আগে একটা বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের একমাসের মধ্যে বউ গলায় দড়ি নেয়। বউয়ের আত্নীয় – স্বজনদের দাবি এই ছেলে তাদের মেয়েকে মেরে ফেলেছে, ছেলেটা নাকি বদ্ধ উন্মাদ। কেসও করেছিল, ছয়মাস জেল খেটেছে। পরে প্রমাণের অভাবে কেস ডিসমিস হয়েছে। ভাগ্যিস কিছু ঘটার আগেই সব জানতে পেরেছি। এর বাবাও নাকি পাগল ছিল। মারে তুই কোনো চিন্তা করিস না, আমি অনেক ভালো জায়গায় তোর বিয়ে দিব। তোর হাশেম চাচা অনেক ভালো একটা সম্বন্ধ এনেছে, ছেলের সরকারি চাকরি। তারা তোর ছবি দেখে তোকে পছন্দ করেছে৷ এর কিছুই যেন অচলা শুনতে পাচ্ছিল না। অচলা বললো, তুমি যা ভালো মনে করো। আমি তাহলে আমার রুমে গেলাম।

রাতে হিমালয়ের ফোন আসলো, ওপাশ থেকে বললো, বিশ্বাস করো অচলা, আমি জানতাম না যে তোমাদের এসব জানানো হয়নি। আমি মামাকে বলেছিলাম যে সব তোমাদের জানিয়েই যেন তোমাদের বাসায় যাওয়া হয়। মামা আমাকে বলেছিল তোমরা সব জানো । বিশ্বাস করো তুমি, সবটুকু সত্য নয়। অচলা চুপ করে সব শুনছিল। কোনো উত্তর দিল না। শেষে উত্তর না পেয়ে হিমালয় বললো, তুমি অনেক ভালো মেয়ে, তুমি অনেক ভালো থেকো অচলা। আমাকে ক্ষমা করে দিও। তারপর ফোন কেটে দিল।

তার ঠিক দুসপ্তাহের মধ্যেই অচলার বিয়ে ঠিক হয়ে গেলো। অচলার বাবা বলতে লাগলো, আল্লাহর রহমত সবই। মেয়ে আমার সঠিক হাতেই যাচ্ছে। ভালো চাকরি, গয়নাও দিচ্ছে অনেক। যার সাথে বিয়ে ঠিক হলো শুধু একবার তার সাথে অচলার কথা হয়েছে। এই একবার ১৫ মিনিটের কথায় সে ১৫ বার তাদের সম্পত্তির হিসেব দিয়েছে। আর তার নিজের রোজগার কত ভালো তা জানিয়েছে।

গায়ে হলুদের জন্য সেজেগুজে অচলা বসে আছে। একটু পরেই ছেলের বাড়ি থেকে লোকজন আসবে হলুদ দিতে। হঠাৎ অচলার মনে হলো ছুটে গিয়ে তার বাবাকে বলতে, সে এই বিয়ে করতে চায় না। সে এই ছেলেটার সাথে নিজের সারাজীবন কাটাতে চায় না। সে ঐ হাবলা ছেলেটার মুখের ডাক শুনে সারাজীবন পার করতে চায়। কিন্তু অচলা জানে এখানে তার ইচ্ছের কোনো দাম নেই। অচলা রুম আটকিয়ে চিৎকার করে বললো, সবই কি শুধু মায়া? কেন এত মায়া?

বিয়ে বাড়ির আনন্দের মাঝে অচলার কান্না কেউ শুনতে পেল না, অচলার কান্নার আওয়াজ অচলার রুম এবং মনের মধ্যেই আটকে রইলো।

৬ জুলাই, ২০২১

(( অচলা নামটি শরৎচন্দ্রের “” গৃহদাহ”” উপন্যাস থেকে নেওয়া))

আমি খুবই কাঁচা লেখক। তাই ভুল ত্রুটি সবাই ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।