Greentech – Products – JAR LIMITED
View:24/48/All/
Filter

Showing 1–30 of 50 results

  • Anti Toxin Foot Patch

    ৳ 500.00

    Anti toxin foot patch ব্যবহারে বাতের ব্যাথা, হাটু ব্যথা, কোমর ব্যথা এবং মাংসপেশীর ব্যথা কমিয়ে শরীরকে ঝরঝরে করে তুলে।

    সরাসরি জাপান থেকে আমদানীকৃত Anti toxin foot patch(১০০% কার্যকরী )

    এক প্যাকেট মাত্র-৫০০/-টাকা

    অর্ডার করতে কল করুনঃ☎️ ০১৯৭৫-৮৫৮৫২৩

    Anti toxin foot patch  কাদের জন্য ব্যবহার করা দরকার ?

    (১) ধূমপায়ীদের জন্য যারা শরীর থেকে নিকোটিন দূর করে সুস্থ থাকতে চান।

    (২) যারা ব্রন ও একজিমা তে আক্রান্ত।

    (৩) যারা জন্ডিসে আক্রান্ত।

    (৪) যারা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে রাখতে চান।

    (৫) যারা Acne and Pimple এর টক্সিন বের করে ফেয়ারনেস বৃদ্ধি করতে চান।

    (৬) যারা সাইনাস ও মাথা ব্যাথায় আক্রান্ত

    (৭) দূর্বল লোকদের জন্য,যারা দ্রুত ক্লান্ত হয়ে যায়।

    (৮) যারা শরীরের ভিতরের বিষাক্ত টক্সিন দূর করতে চান।

    (৯) যাদের জয়েন্টগুলোতে ব্যাথা,ঘাড় এবং ব্যাক পেইন আছে।

    (১০) যারা ধুলাবালিতে কঠোর পরিশ্রম করেন।

    (১১) যাদের মানসিক চিন্তার কারনে ঘুম কম হয়।

    (১২) যাদের শারিরীক যন্ত্রনায় ঘুম কম হয়।

    (১৩) যারা স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন।

    (১৪) বৃদ্ধ এবং অসুস্থ যারা।

    (১৫) যারা রাস্তায় চলাফেরা করে।

    (১৬) যারা শরীরে বিষাক্ত টক্সিন আছে কিনা যাচাই করতে চান।

    (১৭) হরমন জনিত সমস্যা দূর করে।

    *** স্বাস্থ সচেতন সকলের জন্য Anti foxn foot partch  আবশ্যক ।

    উপকারিতাঃ

    (১) Anti toxin foot patch  ব্যবহারে বাতের ব্যাথা, হাটু ব্যথা, কোমর ব্যথা এবং মাংসপেশীর ব্যথা কমিয়ে শরীরকে ঝরঝরে করে তুলে।

    (২) শরীরের মধ্যে অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় পর্দাথ শোষন করে।

    (৩) রক্তের কোলেষ্টরেল কমাতে সাহায্য করে।

    (৪) ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রনে রাখে।

    (৫) চামড়ার কালো দাগ ও কুচকানো রোধ করে।

    (৬) এ্যাজমা ও ব্রংকাইটিসে বিশেষ উপকারী।

    (৭) ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে রাখে ।

    (৮) সাইনাসের সমস্যা দূর করে।

    (৯) কঠিন ব্যক্তেরিয়া ও ভয়ানক আই ভাইরাস কে তরল আকারে বের করে।

    (১০) রক্ত পরিষ্কার ও রক্ত প্রবাহ রাড়িয়ে দেয়।

    (১১) পরিপাক যন্ত্রের কার্যকারীতা বাড়িয়ে দেয়।

    (১২) শরীর থেকে বিষাক্ত নিকোটিন বের করে ।

    (১৩) ঘামের দূগর্ন্ধ ও পায়ের মোজার দূগর্ন্ধ দূর করে।

    তাই Anti toxin foot patch ব্যবহার করুন সুস্থ সবল জীবন গড়ুন।

    Anti Toxin Foot patch ব্যবহার বিধিঃ

    Anti Toxin Foot Patch  ডিটক্স প্যাড রাতে ঘুমানোর পূর্বে পায়ের তলায় ব্যবহার করতে হবে।৭-৮ঘন্টা ব্যবহারের পর সকালে খুলে ফেলতে হবে।

    Anti Toxin Foot Patch

    ৳ 500.00
    Add to cart
    Quick View
  • LCD Writing tablet

    ৳ 730.00


    LCD Writing tablet

    ৳ 730.00
    Add to cart
    Quick View
  • সরিষা তেল

    ৳ 300.00

    বহু আগে থেকেই সরিষা তেল ব্যবহার হয়ে আসছে। কেবল স্বাদের জন্যই নয়, বহুকাল ধরেই এই তেল ব্যবহারের পেছনে আরো অনেক কারণ রয়েছে। কর্পোরেট ষড়যন্ত্রের কবলে পড়ে খাদ্যে সরিষার তেল ব্যবহার প্রায় উঠেই গেছে। অথচ সরিষার তেলের রয়েছে বিবিধ উপকারীতা।

    ১) সরিষার তেল ত্বকের তামাটে ভাব ও কালো দাগ দূর করে ত্বককে প্রাকৃতিক ভাবে উজ্জ্বল করে। 

    ২) যেহেতু সরিষার তেল খুব ঘন হয় এবং এতে উচ্চমাত্রার ভিটামিন-ই থাকে সেহেতু এই তেল ক্ষতিকর আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি থেকে এবং অন্যান্য দূষিত পদার্থ থেকে ত্বককে সুরক্ষা দিতে পারে। তাই স্কিন ক্যান্সার ও প্রতিরোধ করতে পারে। ভিটামিন ই বলিরেখা ও বয়সের ছাপ দূর করতে পারে। 

    ৩) খসখসে শুষ্ক ঠোঁট পুরো চেহারা সুরতের ওপরই ধ্বংসাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। কয়েক ফোঁটা সরিষার তেল প্রয়োগে ঠোঁটের শুষ্কতা দূর করা সম্ভব। যা মোড়কজাত ঠোঁটের বামের চেয়েও বেশি নিরাপদ।

    ৪) সরিষার তেল চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে, অকালে চুল সাদা হওয়া রোধ করে ও চুল পড়া কমায়। সরিষার তেল ভিটামিন ও খনিজে পরিপূর্ণ থাকে। বিশেষ করে উচ্চমাত্রার বিটা ক্যারোটিন থাকে। বিটা ক্যারোটিন ভিটামিন এ তে রূপান্তরিত হয়ে চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এছাড়াও এতে আয়রন, ক্যালসিয়াম, ফ্যাটি এসিড ও ম্যাগনেসিয়াম থাকে যা চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। প্রতিরাতে চুলে সরিষার তেল মালিশ করে লাগালে চুল কালো হয়। 

    মাথার ত্বকে নিয়মিতভাবে সরিষার তেল ব্যবহার করলে খুশকি, খোস-পাঁচড়া এবং চুলপড়ার মতো শীতকালীন সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যায়। এই তেলে আছে দুটো গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাটি এসিড। যথা- ওয়েলিক এসিড এবং লিনোলিক এসিড। এগুলো চুলের জন্য দারুণ টনিকের মত কাজ করে।

    ৫) ক্ষুধার উপর সুস্বাস্থ্য বহুলাংশে নির্ভর করে। পাকস্থলীর পাচক রস উদ্দীপিত করার মাধ্যমে ক্ষুধা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে সরিষার তেল। 

    ৬) পরিপাক, রক্ত সংবহন ও রেচন তন্ত্রের শক্তিশালী উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে সরিষার তেল। খাওয়ার পাশাপাশি বাহ্যিকভাবে শরীরে ম্যাসাজ করলে শরীরের রক্ত সঞ্চালন বাড়ে। মালিশের পর ঘর্মগ্রন্থিগুলো সক্রিয় হয়ে ওঠে। ফলে বেশি ঘাম বেরিয়ে শরীরের টক্সিন দূর হয়।

    ৭) সরিষার তেল মনোস্যাচুরেটেড ও পলিস্যাচুরেটেড ফ্যাটে সমৃদ্ধ বলে কোলেস্টেরলের ভারসাম্য রক্ষা করতে সাহায্য করে। এর ফলে কার্ডিওভাস্কুলার রোগের ঝুঁকি কমে। সরিষার তেলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড (এম ইউ এফ এ) যা শরীরের দরকার। এই এমইউএফএ হার্ট ভাল রাখে। 

    সরিষার তেলে থাকা এম ইউ এফ এ রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং ভালো কোলেষ্টেরেলের পরিমান বাড়ায়। এতে রক্তে ফ্যাটের মাত্রা কমে চলাচলের গতি বাড়ে। সরিষার তেলের আলফুলিনোলেনিক অ্যাসিড ইসকেমিক হার্টের সমস্যা কমায়। সরিষার তেলে রান্না খাবার খেলে কার্ডিওভাসকুলার সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ৭০ শতাংশ কমে যায়।

    ৮) সরিষার তেলে গ্লুকোসিনোলেট নামক উপাদান থাকে যা অ্যান্টিকারসিনোজেনিক উপাদান হিসেবে পরিচিত। তাই ক্যান্সারজনিত টিউমারের গঠন প্রতিরোধে সাহায্য করে সরিষার তেল। এর ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট কোলোরেক্টাল ও গ্যাস্ট্রোইন্টেস্টাইনাল ক্যান্সার থেকে সুরক্ষা প্রদান করে। 

    ৯) এজমা এট্যাক হলে সরিষার তেল বুকে মালিশ করে অথবা এক টেবিল চামচ সরিষার তেল, এক চা চামচ কর্পুরের সাথে মিশিয়ে বুকে মালিশ করলে আরাম পাওয়া যায়। 

    ১০) ব্যাকটেরিয়ার ইনফেকশনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে পারে। এতে অ্যালাইল আইসোথায়োসায়ানেট নামক অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান থাকে বলে ছত্রাকের ইনফেকশন নিরাময়ে কাজ করে।

    সাম্প্রতিক এক গবেষনায় জানা যায় সরিষার তেল ই-কোলাই ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে। সরিষার তেলের গ্লুকোসিনোলেট উপস্তিত থাকায় ব্যাকটেরিয়ার এবং বিভিন্ন জীবানুর বৃদ্ধি ঘটতে দেয়না 

    ১১) সরিষার তেলের তীব্র সুবাস পোকামাকড় তাড়ায় বলে ম্যালেরিয়া ও পোকাকামড় জনিত রোগ থেকে সুরক্ষা দিতে পারে সরিষার তেল। ভারতে এডিস মশার বিরুদ্ধে সরিষার তেল কার্য্যকরী হিসেবে প্রমানিত হয়েছে। 

    ১২) সরিষার তেল শিশুর হাত-পায়ের দৈর্ঘ্য ও ওজন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

    ১৩) সরিষার তেল সেলেনিয়াম উপস্থিত থাকায় এন্টি-ইনফ্লামেটরি হিসেবে কাজ করে ফলে জয়েন্টের ব্যাথা এবং ফোলা কমায়। সরিষার তেলের এন্টি-প্রদাহজনক বৈশিষ্ট্য থাকায় ডাইক্লোফেনাক নামক এন্টি-প্রদাহী ঔষধ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও কোমর ব্যাথা, গোশতপেশির ব্যাথাতেও কাজ করে। 

    ১৪) শত শত বছর ধরে মানুষেরা গোসলের আগে দেহে সরিষার তেল ব্যবহার করে ম্যাসেজ করতেন। যাতে ত্বকের সৌন্দর্য্য বজায় থাকে। 

    ১৫) সরিষার তেলের সঙ্গে সামান্য মোম মিশিয়ে গরম করে পায়ের ফাটা অংশে লাগান। সমস্যা নিমেষে উধাও। নখে লাগালেও উপকার পাবেন।

    ১৬) সরিষার তেলের সঙ্গে লবণ মিশিয়ে দাঁত মাজতে বলেন অনেক বিশেষজ্ঞ। আধা চা চামচ সরিষার তেলের সাথে, ১ চা চামচ হলুদ, আধা চামচ লবন মিশিয়ে দিনে ২ বার দাতে ব্যবহার করলে দাত সুস্থ্য থাকে এবং দাতের রোগ জিনজিভাইটিস এবং পেরিওডোনডাইটিস থেকে সুরক্ষা দেয়। 

    ১৭) অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল উপাদান থাকার কারণে সরিষার তেল আচার তৈরিতে অনন্য।

    ১৮) সরিষার বীজ এ ম্যাগনেসিয়াম থাকার কারণে মাইগ্রেন ঘটনা হ্রাস করে।

    ১৯) সাইনুসাইটিসের প্রাকৃতিক প্রতিকার হিসেবে সরিষার তেল অত্যন্ত কার্যকরী, ঠান্ডা-কাশি নিরাময়েও চমৎকার কাজ করে সরিষার তেল। এই তেল ফুসফুসের সংক্রমণ কমাতে সাহায্য করে। বন্ধ নাকে সরিষার তেল দিলে আরাম পাওয়া যায়। ঘুম ভালো হয়।

    ২০) সরিষায় কপার, আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, সেলেনিয়াম উপস্থিত থাকার কারনে ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রনে সাহায্য করে। 

    ২১) সরিষায় ক্যারোটিন এবং লুটেইন এর উত্তম উৎস। এছাড়াও ভিটামিন এ, সি, কে থাকার কারনে চমৎকার এন্টিওক্সিড্যান্ট হিসেবে কাজ করে। যা বার্ধ্যক্যকে প্রলম্বিত করে। 

    ২২) ব্রেনের কার্য্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে, উচ্চ পরিমানে ফ্যাটি এসিড থাকার কারনে সরিষার তেল মস্তিষ্কের কার্য্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং মানষিক অবসাদগ্রস্থতা দূর করে। এছাড়াও স্মৃতিশক্তি এবং জ্ঞানের ক্ষমতা বাড়ায়। যার কারনে পরীক্ষাকালীন সরিষার তেল খুবই কার্য্যকরি ভুমিকা রাখে।

    ৫০০ গ্রাম ১৫০ টাকা। 

    সরিষা তেল

    ৳ 300.00
    Add to cart
    Quick View
  • কালোজিরা ফুলের মধু

    ৳ 1,200.00

    মধু মানুষের জন্য আল্লাহ প্রদত্ত এক অপূর্ব নেয়ামত। স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং যাবতীয় রোগ নিরাময়ে মধুর গুণ অপরিসীম। রাসূলুল্লাহ (সা.) একে ‘খাইরুদ্দাওয়া’ বা মহৌষধ বলেছেন। আয়ুর্বেদ এবং ইউনানি চিকিৎসা শাস্ত্রেও মধুকে বলা হয় মহৌষধ। এটা যেমন বলকারক, সুস্বাদু ও উত্তম উপাদেয় খাদ্যনির্যাস, তেমনি নিরাময়ের ব্যবস্থাপত্রও। আর তাই তো খাদ্য ও ওষুধ এ উভয়বিধ পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ নির্যাসকে প্রাচীনকাল থেকেই পারিবারিকভাবে ‘পুষ্টিকর ও শক্তিবর্ধক’ পানীয় হিসেবে সব দেশের সব পর্যায়ের মানুষ অত্যন্ত আগ্রহ সহকারে ব্যবহার করে আসছে। মধুতে যেসব উপকরণ রয়েছে তন্মধ্যে প্রধান উপকরণ সুগার। সুগার বা চিনি আমরা অনেকই এড়িয়ে চলি। কিন্তু মধুতে গ্লুকোজ ও ফ্রুকটোজ এ দুটি সরাসরি মেটাবলাইজড হয়ে যায় এবং ফ্যাট হিসাবে জমা হয় না। মস্কো বিশ্ববিদ্যালয়ে মধুর নমুনা পরীক্ষায় দেখা গেছে যে, এতে অ্যালুমিনিয়াম, বোরন, ক্রোমিয়াম, কপার, লেড, টিন, জিংক ও জৈব এসিড (যেমন-ম্যালিক এসিড, সাইট্রিক এসিড, টারটারিক এসিড এবং অক্সালিক এসিড), কতিপয় ভিটামিন, প্রোটিন, হরমোনস, এসিটাইল কোলিন, অ্যান্টিবায়োটিকস, ফাইটোনসাইডস, সাইস্টোস্ট্যাটিক্স এবং পানি (১৯-২১%) ছাড়াও অন্যান্য পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে। ভিটামিন যেমন- ভিটামিন সি বা অ্যাসকরবিক এসিড, ভিটামিন বি-১, বি-২, বি-৩, বি-৫, বি-৬, ভিটামিন-ই, ভিটামিন-কে, ভিটামিন-এ বা ক্যারোটিন ইত্যাদি বিদ্যমান। মধু এমন ধরনের ওষুধ, যার পচন নিবারক (অ্যান্টিসেপটিক), কোলেস্টেরলবিরোধী এবং ব্যাকটেরিয়াবিরোধী ধর্ম আছে। প্রতিদিন সকালে এবং বিকালে খালি পেটে চা চামচের দুই চামচ করে মধু ডান হাতের তালুতে নিয়ে চেটে খেতে হবে। নিয়মিত ও পরিমিত মধু সেবন করলে  যেসব উপকার পাওয়া যায়। তা হলো-

    ১. হৃদরোগ প্রতিরোধ করে। রক্তনালি প্রসারণের মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালনে সহায়তা করে এবং হৃদপেশির কার্যক্রম বৃদ্ধি করে;

    ২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে;

    ৩. দাঁতকে পরিষ্কার ও শক্তিশালী করে;

    ৪. দৃষ্টিশক্তি ও স্মরণশক্তি বৃদ্ধি করে;

    ৫. মধুর রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্ষমতা, যা দেহকে নানা ঘাত-প্রতিঘাতের হাত থেকে রক্ষা করে;

    ৬. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে ও কোষকে ফ্রি রেডিকেলের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে;

    ৭. বার্ধক্য অনেক দেরিতে আসে;

    ৮. মধুর ক্যালরি রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়ায়, ফলে রক্তবর্ধক হয়;

    ৯. যারা রক্ত স্বল্পতায় বেশি ভোগে বিশেষ করে মহিলারা, তাদের জন্য নিয়মিত মধু সেবন অত্যন্ত ফলদায়ক;

    ১০. গ্লাইকোজেনের লেভেল সুনিয়ন্ত্রিত করে;

    ১১. আন্ত্রিক রোগে উপকারী। মধুকে এককভাবে ব্যবহার করলে পাকস্থলীর বিভিন্ন রোগের উপকার পাওয়া যায়;

    ১২. আলচার ও গ্যাস্ট্রিক রোগের জন্য উপকারী;

     ১৩. দুর্বল শিশুদের মুখের ভেতর পচনশীল ঘায়ের জন্য খুবই উপকারী;

    ১৪. শরীরের বিভিন্ন ধরনের নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং উষ্ণতা বৃদ্ধি করে;

    ১৫. ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ মধু স্নায়ু এবং মস্তিষ্কের কলা সুদৃঢ় করে;

    ১৬. মধুতে স্টার্চ ডাইজেস্টি এনজাইমস এবং মিনারেলস থাকায় চুল ও ত্বক ঠিক রাখতে অনন্য ভূমিকা পালন করে;

    ১৭. মধু কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে;

    ১৮. ক্ষুধা, হজমশক্তি ও রুচি বৃদ্ধি করে;

    ১৯. রক্ত পরিশোধন করে;

    ২০. শরীর ও ফুসফুসকে শক্তিশালী করে;

    ২১. জিহ্বার জড়তা দূর করে;

    ২২. মধু মুখের দুর্গন্ধ দূর করে;

    ২৩. বাতের ব্যথা উপশম করে;

    ২৪. মাথা ব্যথা দূর করে;

    ২৫. শিশুদের দৈহিক গড়ন ও ওজন বৃদ্ধি করে;

    ২৬. গলা ব্যথা, কাশি-হাঁপানি এবং ঠাণ্ডা জনিত রোগে বিশেষ উপকার করে;

    ২৭. শিশুদের প্রতিদিন অল্প পরিমাণ মধু খাওয়ার অভ্যাস করলে তার ঠাণ্ডা, সর্দি-কাশি, জ্বর ইত্যাদি সহজে হয় না;

     ২৮. শারীরিক দুর্বলতা দূর করে এবং শক্তি-সামর্থ্য দীর্ঘস্থায়ী করে;

    ২৯. ব্যায়ামকারীদের শক্তি বাড়ায়;

    ৩০. মধু খাওয়ার সাথে সাথে শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে, ফলে শরীর হয়ে উঠে সুস্থ, সতেজ এবং কর্মক্ষম।

    ৫০০ গ্রাম ৬০০ টাকা। 

    কালোজিরা ফুলের মধু

    ৳ 1,200.00
    Add to cart
    Quick View
  • মাশকলাই ফুলের মধু

    ৳ 850.00

    মধু মানুষের জন্য আল্লাহ প্রদত্ত এক অপূর্ব নেয়ামত। স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং যাবতীয় রোগ নিরাময়ে মধুর গুণ অপরিসীম। রাসূলুল্লাহ (সা.) একে ‘খাইরুদ্দাওয়া’ বা মহৌষধ বলেছেন। আয়ুর্বেদ এবং ইউনানি চিকিৎসা শাস্ত্রেও মধুকে বলা হয় মহৌষধ। এটা যেমন বলকারক, সুস্বাদু ও উত্তম উপাদেয় খাদ্যনির্যাস, তেমনি নিরাময়ের ব্যবস্থাপত্রও। আর তাই তো খাদ্য ও ওষুধ এ উভয়বিধ পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ নির্যাসকে প্রাচীনকাল থেকেই পারিবারিকভাবে ‘পুষ্টিকর ও শক্তিবর্ধক’ পানীয় হিসেবে সব দেশের সব পর্যায়ের মানুষ অত্যন্ত আগ্রহ সহকারে ব্যবহার করে আসছে। মধুতে যেসব উপকরণ রয়েছে তন্মধ্যে প্রধান উপকরণ সুগার। সুগার বা চিনি আমরা অনেকই এড়িয়ে চলি। কিন্তু মধুতে গ্লুকোজ ও ফ্রুকটোজ এ দুটি সরাসরি মেটাবলাইজড হয়ে যায় এবং ফ্যাট হিসাবে জমা হয় না। মস্কো বিশ্ববিদ্যালয়ে মধুর নমুনা পরীক্ষায় দেখা গেছে যে, এতে অ্যালুমিনিয়াম, বোরন, ক্রোমিয়াম, কপার, লেড, টিন, জিংক ও জৈব এসিড (যেমন-ম্যালিক এসিড, সাইট্রিক এসিড, টারটারিক এসিড এবং অক্সালিক এসিড), কতিপয় ভিটামিন, প্রোটিন, হরমোনস, এসিটাইল কোলিন, অ্যান্টিবায়োটিকস, ফাইটোনসাইডস, সাইস্টোস্ট্যাটিক্স এবং পানি (১৯-২১%) ছাড়াও অন্যান্য পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে। ভিটামিন যেমন- ভিটামিন সি বা অ্যাসকরবিক এসিড, ভিটামিন বি-১, বি-২, বি-৩, বি-৫, বি-৬, ভিটামিন-ই, ভিটামিন-কে, ভিটামিন-এ বা ক্যারোটিন ইত্যাদি বিদ্যমান। মধু এমন ধরনের ওষুধ, যার পচন নিবারক (অ্যান্টিসেপটিক), কোলেস্টেরলবিরোধী এবং ব্যাকটেরিয়াবিরোধী ধর্ম আছে। প্রতিদিন সকালে এবং বিকালে খালি পেটে চা চামচের দুই চামচ করে মধু ডান হাতের তালুতে নিয়ে চেটে খেতে হবে। নিয়মিত ও পরিমিত মধু সেবন করলে  যেসব উপকার পাওয়া যায়। তা হলো-

    ১. হৃদরোগ প্রতিরোধ করে। রক্তনালি প্রসারণের মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালনে সহায়তা করে এবং হৃদপেশির কার্যক্রম বৃদ্ধি করে;

    ২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে;

    ৩. দাঁতকে পরিষ্কার ও শক্তিশালী করে;

    ৪. দৃষ্টিশক্তি ও স্মরণশক্তি বৃদ্ধি করে;

    ৫. মধুর রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্ষমতা, যা দেহকে নানা ঘাত-প্রতিঘাতের হাত থেকে রক্ষা করে;

    ৬. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে ও কোষকে ফ্রি রেডিকেলের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে;

    ৭. বার্ধক্য অনেক দেরিতে আসে;

    ৮. মধুর ক্যালরি রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়ায়, ফলে রক্তবর্ধক হয়;

    ৯. যারা রক্ত স্বল্পতায় বেশি ভোগে বিশেষ করে মহিলারা, তাদের জন্য নিয়মিত মধু সেবন অত্যন্ত ফলদায়ক;

    ১০. গ্লাইকোজেনের লেভেল সুনিয়ন্ত্রিত করে;

    ১১. আন্ত্রিক রোগে উপকারী। মধুকে এককভাবে ব্যবহার করলে পাকস্থলীর বিভিন্ন রোগের উপকার পাওয়া যায়;

    ১২. আলচার ও গ্যাস্ট্রিক রোগের জন্য উপকারী;

     ১৩. দুর্বল শিশুদের মুখের ভেতর পচনশীল ঘায়ের জন্য খুবই উপকারী;

    ১৪. শরীরের বিভিন্ন ধরনের নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং উষ্ণতা বৃদ্ধি করে;

    ১৫. ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ মধু স্নায়ু এবং মস্তিষ্কের কলা সুদৃঢ় করে;

    ১৬. মধুতে স্টার্চ ডাইজেস্টি এনজাইমস এবং মিনারেলস থাকায় চুল ও ত্বক ঠিক রাখতে অনন্য ভূমিকা পালন করে;

    ১৭. মধু কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে;

    ১৮. ক্ষুধা, হজমশক্তি ও রুচি বৃদ্ধি করে;

    ১৯. রক্ত পরিশোধন করে;

    ২০. শরীর ও ফুসফুসকে শক্তিশালী করে;

    ২১. জিহ্বার জড়তা দূর করে;

    ২২. মধু মুখের দুর্গন্ধ দূর করে;

    ২৩. বাতের ব্যথা উপশম করে;

    ২৪. মাথা ব্যথা দূর করে;

    ২৫. শিশুদের দৈহিক গড়ন ও ওজন বৃদ্ধি করে;

    ২৬. গলা ব্যথা, কাশি-হাঁপানি এবং ঠাণ্ডা জনিত রোগে বিশেষ উপকার করে;

    ২৭. শিশুদের প্রতিদিন অল্প পরিমাণ মধু খাওয়ার অভ্যাস করলে তার ঠাণ্ডা, সর্দি-কাশি, জ্বর ইত্যাদি সহজে হয় না;

     ২৮. শারীরিক দুর্বলতা দূর করে এবং শক্তি-সামর্থ্য দীর্ঘস্থায়ী করে;

    ২৯. ব্যায়ামকারীদের শক্তি বাড়ায়;

    ৩০. মধু খাওয়ার সাথে সাথে শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে, ফলে শরীর হয়ে উঠে সুস্থ, সতেজ এবং কর্মক্ষম।

    ৫০০ গ্রাম ৪২৫ টাকা 

    মাশকলাই ফুলের মধু

    ৳ 850.00
    Add to cart
    Quick View
  • সুন্দরবনের মধু

    ৳ 1,000.00

    মধু মানুষের জন্য আল্লাহ প্রদত্ত এক অপূর্ব নেয়ামত। স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং যাবতীয় রোগ নিরাময়ে মধুর গুণ অপরিসীম। রাসূলুল্লাহ (সা.) একে ‘খাইরুদ্দাওয়া’ বা মহৌষধ বলেছেন। আয়ুর্বেদ এবং ইউনানি চিকিৎসা শাস্ত্রেও মধুকে বলা হয় মহৌষধ। এটা যেমন বলকারক, সুস্বাদু ও উত্তম উপাদেয় খাদ্যনির্যাস, তেমনি নিরাময়ের ব্যবস্থাপত্রও। আর তাই তো খাদ্য ও ওষুধ এ উভয়বিধ পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ নির্যাসকে প্রাচীনকাল থেকেই পারিবারিকভাবে ‘পুষ্টিকর ও শক্তিবর্ধক’ পানীয় হিসেবে সব দেশের সব পর্যায়ের মানুষ অত্যন্ত আগ্রহ সহকারে ব্যবহার করে আসছে। মধুতে যেসব উপকরণ রয়েছে তন্মধ্যে প্রধান উপকরণ সুগার। সুগার বা চিনি আমরা অনেকই এড়িয়ে চলি। কিন্তু মধুতে গ্লুকোজ ও ফ্রুকটোজ এ দুটি সরাসরি মেটাবলাইজড হয়ে যায় এবং ফ্যাট হিসাবে জমা হয় না। মস্কো বিশ্ববিদ্যালয়ে মধুর নমুনা পরীক্ষায় দেখা গেছে যে, এতে অ্যালুমিনিয়াম, বোরন, ক্রোমিয়াম, কপার, লেড, টিন, জিংক ও জৈব এসিড (যেমন-ম্যালিক এসিড, সাইট্রিক এসিড, টারটারিক এসিড এবং অক্সালিক এসিড), কতিপয় ভিটামিন, প্রোটিন, হরমোনস, এসিটাইল কোলিন, অ্যান্টিবায়োটিকস, ফাইটোনসাইডস, সাইস্টোস্ট্যাটিক্স এবং পানি (১৯-২১%) ছাড়াও অন্যান্য পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে। ভিটামিন যেমন- ভিটামিন সি বা অ্যাসকরবিক এসিড, ভিটামিন বি-১, বি-২, বি-৩, বি-৫, বি-৬, ভিটামিন-ই, ভিটামিন-কে, ভিটামিন-এ বা ক্যারোটিন ইত্যাদি বিদ্যমান। মধু এমন ধরনের ওষুধ, যার পচন নিবারক (অ্যান্টিসেপটিক), কোলেস্টেরলবিরোধী এবং ব্যাকটেরিয়াবিরোধী ধর্ম আছে। প্রতিদিন সকালে এবং বিকালে খালি পেটে চা চামচের দুই চামচ করে মধু ডান হাতের তালুতে নিয়ে চেটে খেতে হবে। নিয়মিত ও পরিমিত মধু সেবন করলে  যেসব উপকার পাওয়া যায়। তা হলো-

    ১. হৃদরোগ প্রতিরোধ করে। রক্তনালি প্রসারণের মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালনে সহায়তা করে এবং হৃদপেশির কার্যক্রম বৃদ্ধি করে;

    ২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে;

    ৩. দাঁতকে পরিষ্কার ও শক্তিশালী করে;

    ৪. দৃষ্টিশক্তি ও স্মরণশক্তি বৃদ্ধি করে;

    ৫. মধুর রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্ষমতা, যা দেহকে নানা ঘাত-প্রতিঘাতের হাত থেকে রক্ষা করে;

    ৬. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে ও কোষকে ফ্রি রেডিকেলের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে;

    ৭. বার্ধক্য অনেক দেরিতে আসে;

    ৮. মধুর ক্যালরি রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়ায়, ফলে রক্তবর্ধক হয়;

    ৯. যারা রক্ত স্বল্পতায় বেশি ভোগে বিশেষ করে মহিলারা, তাদের জন্য নিয়মিত মধু সেবন অত্যন্ত ফলদায়ক;

    ১০. গ্লাইকোজেনের লেভেল সুনিয়ন্ত্রিত করে;

    ১১. আন্ত্রিক রোগে উপকারী। মধুকে এককভাবে ব্যবহার করলে পাকস্থলীর বিভিন্ন রোগের উপকার পাওয়া যায়;

    ১২. আলচার ও গ্যাস্ট্রিক রোগের জন্য উপকারী;

     ১৩. দুর্বল শিশুদের মুখের ভেতর পচনশীল ঘায়ের জন্য খুবই উপকারী;

    ১৪. শরীরের বিভিন্ন ধরনের নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং উষ্ণতা বৃদ্ধি করে;

    ১৫. ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ মধু স্নায়ু এবং মস্তিষ্কের কলা সুদৃঢ় করে;

    ১৬. মধুতে স্টার্চ ডাইজেস্টি এনজাইমস এবং মিনারেলস থাকায় চুল ও ত্বক ঠিক রাখতে অনন্য ভূমিকা পালন করে;

    ১৭. মধু কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে;

    ১৮. ক্ষুধা, হজমশক্তি ও রুচি বৃদ্ধি করে;

    ১৯. রক্ত পরিশোধন করে;

    ২০. শরীর ও ফুসফুসকে শক্তিশালী করে;

    ২১. জিহ্বার জড়তা দূর করে;

    ২২. মধু মুখের দুর্গন্ধ দূর করে;

    ২৩. বাতের ব্যথা উপশম করে;

    ২৪. মাথা ব্যথা দূর করে;

    ২৫. শিশুদের দৈহিক গড়ন ও ওজন বৃদ্ধি করে;

    ২৬. গলা ব্যথা, কাশি-হাঁপানি এবং ঠাণ্ডা জনিত রোগে বিশেষ উপকার করে;

    ২৭. শিশুদের প্রতিদিন অল্প পরিমাণ মধু খাওয়ার অভ্যাস করলে তার ঠাণ্ডা, সর্দি-কাশি, জ্বর ইত্যাদি সহজে হয় না;

     ২৮. শারীরিক দুর্বলতা দূর করে এবং শক্তি-সামর্থ্য দীর্ঘস্থায়ী করে;

    ২৯. ব্যায়ামকারীদের শক্তি বাড়ায়;

    ৩০. মধু খাওয়ার সাথে সাথে শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে, ফলে শরীর হয়ে উঠে সুস্থ, সতেজ এবং কর্মক্ষম।

    ৫০০ গ্রাম ৫০০ টাকা।

    সুন্দরবনের মধু

    ৳ 1,000.00
    Add to cart
    Quick View
  • বড়ই ফুলের মধু

    ৳ 950.00

    মধু মানুষের জন্য আল্লাহ প্রদত্ত এক অপূর্ব নেয়ামত। স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং যাবতীয় রোগ নিরাময়ে মধুর গুণ অপরিসীম। রাসূলুল্লাহ (সা.) একে ‘খাইরুদ্দাওয়া’ বা মহৌষধ বলেছেন। আয়ুর্বেদ এবং ইউনানি চিকিৎসা শাস্ত্রেও মধুকে বলা হয় মহৌষধ। এটা যেমন বলকারক, সুস্বাদু ও উত্তম উপাদেয় খাদ্যনির্যাস, তেমনি নিরাময়ের ব্যবস্থাপত্রও। আর তাই তো খাদ্য ও ওষুধ এ উভয়বিধ পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ নির্যাসকে প্রাচীনকাল থেকেই পারিবারিকভাবে ‘পুষ্টিকর ও শক্তিবর্ধক’ পানীয় হিসেবে সব দেশের সব পর্যায়ের মানুষ অত্যন্ত আগ্রহ সহকারে ব্যবহার করে আসছে। মধুতে যেসব উপকরণ রয়েছে তন্মধ্যে প্রধান উপকরণ সুগার। সুগার বা চিনি আমরা অনেকই এড়িয়ে চলি। কিন্তু মধুতে গ্লুকোজ ও ফ্রুকটোজ এ দুটি সরাসরি মেটাবলাইজড হয়ে যায় এবং ফ্যাট হিসাবে জমা হয় না। মস্কো বিশ্ববিদ্যালয়ে মধুর নমুনা পরীক্ষায় দেখা গেছে যে, এতে অ্যালুমিনিয়াম, বোরন, ক্রোমিয়াম, কপার, লেড, টিন, জিংক ও জৈব এসিড (যেমন-ম্যালিক এসিড, সাইট্রিক এসিড, টারটারিক এসিড এবং অক্সালিক এসিড), কতিপয় ভিটামিন, প্রোটিন, হরমোনস, এসিটাইল কোলিন, অ্যান্টিবায়োটিকস, ফাইটোনসাইডস, সাইস্টোস্ট্যাটিক্স এবং পানি (১৯-২১%) ছাড়াও অন্যান্য পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে। ভিটামিন যেমন- ভিটামিন সি বা অ্যাসকরবিক এসিড, ভিটামিন বি-১, বি-২, বি-৩, বি-৫, বি-৬, ভিটামিন-ই, ভিটামিন-কে, ভিটামিন-এ বা ক্যারোটিন ইত্যাদি বিদ্যমান। মধু এমন ধরনের ওষুধ, যার পচন নিবারক (অ্যান্টিসেপটিক), কোলেস্টেরলবিরোধী এবং ব্যাকটেরিয়াবিরোধী ধর্ম আছে। প্রতিদিন সকালে এবং বিকালে খালি পেটে চা চামচের দুই চামচ করে মধু ডান হাতের তালুতে নিয়ে চেটে খেতে হবে। নিয়মিত ও পরিমিত মধু সেবন করলে  যেসব উপকার পাওয়া যায়। তা হলো-

    ১. হৃদরোগ প্রতিরোধ করে। রক্তনালি প্রসারণের মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালনে সহায়তা করে এবং হৃদপেশির কার্যক্রম বৃদ্ধি করে;

    ২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে;

    ৩. দাঁতকে পরিষ্কার ও শক্তিশালী করে;

    ৪. দৃষ্টিশক্তি ও স্মরণশক্তি বৃদ্ধি করে;

    ৫. মধুর রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্ষমতা, যা দেহকে নানা ঘাত-প্রতিঘাতের হাত থেকে রক্ষা করে;

    ৬. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে ও কোষকে ফ্রি রেডিকেলের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে;

    ৭. বার্ধক্য অনেক দেরিতে আসে;

    ৮. মধুর ক্যালরি রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়ায়, ফলে রক্তবর্ধক হয়;

    ৯. যারা রক্ত স্বল্পতায় বেশি ভোগে বিশেষ করে মহিলারা, তাদের জন্য নিয়মিত মধু সেবন অত্যন্ত ফলদায়ক;

    ১০. গ্লাইকোজেনের লেভেল সুনিয়ন্ত্রিত করে;

    ১১. আন্ত্রিক রোগে উপকারী। মধুকে এককভাবে ব্যবহার করলে পাকস্থলীর বিভিন্ন রোগের উপকার পাওয়া যায়;

    ১২. আলচার ও গ্যাস্ট্রিক রোগের জন্য উপকারী;

     ১৩. দুর্বল শিশুদের মুখের ভেতর পচনশীল ঘায়ের জন্য খুবই উপকারী;

    ১৪. শরীরের বিভিন্ন ধরনের নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং উষ্ণতা বৃদ্ধি করে;

    ১৫. ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ মধু স্নায়ু এবং মস্তিষ্কের কলা সুদৃঢ় করে;

    ১৬. মধুতে স্টার্চ ডাইজেস্টি এনজাইমস এবং মিনারেলস থাকায় চুল ও ত্বক ঠিক রাখতে অনন্য ভূমিকা পালন করে;

    ১৭. মধু কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে;

    ১৮. ক্ষুধা, হজমশক্তি ও রুচি বৃদ্ধি করে;

    ১৯. রক্ত পরিশোধন করে;

    ২০. শরীর ও ফুসফুসকে শক্তিশালী করে;

    ২১. জিহ্বার জড়তা দূর করে;

    ২২. মধু মুখের দুর্গন্ধ দূর করে;

    ২৩. বাতের ব্যথা উপশম করে;

    ২৪. মাথা ব্যথা দূর করে;

    ২৫. শিশুদের দৈহিক গড়ন ও ওজন বৃদ্ধি করে;

    ২৬. গলা ব্যথা, কাশি-হাঁপানি এবং ঠাণ্ডা জনিত রোগে বিশেষ উপকার করে;

    ২৭. শিশুদের প্রতিদিন অল্প পরিমাণ মধু খাওয়ার অভ্যাস করলে তার ঠাণ্ডা, সর্দি-কাশি, জ্বর ইত্যাদি সহজে হয় না;

     ২৮. শারীরিক দুর্বলতা দূর করে এবং শক্তি-সামর্থ্য দীর্ঘস্থায়ী করে;

    ২৯. ব্যায়ামকারীদের শক্তি বাড়ায়;

    ৩০. মধু খাওয়ার সাথে সাথে শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে, ফলে শরীর হয়ে উঠে সুস্থ, সতেজ এবং কর্মক্ষম।

    ৫০০ গ্রাম ৪৭৫ টাকা। 

    বড়ই ফুলের মধু

    ৳ 950.00
    Add to cart
    Quick View
  • লিচু ফুলের মধু

    ৳ 700.00

    মধু মানুষের জন্য আল্লাহ প্রদত্ত এক অপূর্ব নেয়ামত। স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং যাবতীয় রোগ নিরাময়ে মধুর গুণ অপরিসীম। রাসূলুল্লাহ (সা.) একে ‘খাইরুদ্দাওয়া’ বা মহৌষধ বলেছেন। আয়ুর্বেদ এবং ইউনানি চিকিৎসা শাস্ত্রেও মধুকে বলা হয় মহৌষধ। এটা যেমন বলকারক, সুস্বাদু ও উত্তম উপাদেয় খাদ্যনির্যাস, তেমনি নিরাময়ের ব্যবস্থাপত্রও। আর তাই তো খাদ্য ও ওষুধ এ উভয়বিধ পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ নির্যাসকে প্রাচীনকাল থেকেই পারিবারিকভাবে ‘পুষ্টিকর ও শক্তিবর্ধক’ পানীয় হিসেবে সব দেশের সব পর্যায়ের মানুষ অত্যন্ত আগ্রহ সহকারে ব্যবহার করে আসছে। মধুতে যেসব উপকরণ রয়েছে তন্মধ্যে প্রধান উপকরণ সুগার। সুগার বা চিনি আমরা অনেকই এড়িয়ে চলি। কিন্তু মধুতে গ্লুকোজ ও ফ্রুকটোজ এ দুটি সরাসরি মেটাবলাইজড হয়ে যায় এবং ফ্যাট হিসাবে জমা হয় না। মস্কো বিশ্ববিদ্যালয়ে মধুর নমুনা পরীক্ষায় দেখা গেছে যে, এতে অ্যালুমিনিয়াম, বোরন, ক্রোমিয়াম, কপার, লেড, টিন, জিংক ও জৈব এসিড (যেমন-ম্যালিক এসিড, সাইট্রিক এসিড, টারটারিক এসিড এবং অক্সালিক এসিড), কতিপয় ভিটামিন, প্রোটিন, হরমোনস, এসিটাইল কোলিন, অ্যান্টিবায়োটিকস, ফাইটোনসাইডস, সাইস্টোস্ট্যাটিক্স এবং পানি (১৯-২১%) ছাড়াও অন্যান্য পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে। ভিটামিন যেমন- ভিটামিন সি বা অ্যাসকরবিক এসিড, ভিটামিন বি-১, বি-২, বি-৩, বি-৫, বি-৬, ভিটামিন-ই, ভিটামিন-কে, ভিটামিন-এ বা ক্যারোটিন ইত্যাদি বিদ্যমান। মধু এমন ধরনের ওষুধ, যার পচন নিবারক (অ্যান্টিসেপটিক), কোলেস্টেরলবিরোধী এবং ব্যাকটেরিয়াবিরোধী ধর্ম আছে। প্রতিদিন সকালে এবং বিকালে খালি পেটে চা চামচের দুই চামচ করে মধু ডান হাতের তালুতে নিয়ে চেটে খেতে হবে। নিয়মিত ও পরিমিত মধু সেবন করলে  যেসব উপকার পাওয়া যায়। তা হলো-

    ১. হৃদরোগ প্রতিরোধ করে। রক্তনালি প্রসারণের মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালনে সহায়তা করে এবং হৃদপেশির কার্যক্রম বৃদ্ধি করে;

    ২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে;

    ৩. দাঁতকে পরিষ্কার ও শক্তিশালী করে;

    ৪. দৃষ্টিশক্তি ও স্মরণশক্তি বৃদ্ধি করে;

    ৫. মধুর রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্ষমতা, যা দেহকে নানা ঘাত-প্রতিঘাতের হাত থেকে রক্ষা করে;

    ৬. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে ও কোষকে ফ্রি রেডিকেলের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে;

    ৭. বার্ধক্য অনেক দেরিতে আসে;

    ৮. মধুর ক্যালরি রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়ায়, ফলে রক্তবর্ধক হয়;

    ৯. যারা রক্ত স্বল্পতায় বেশি ভোগে বিশেষ করে মহিলারা, তাদের জন্য নিয়মিত মধু সেবন অত্যন্ত ফলদায়ক;

    ১০. গ্লাইকোজেনের লেভেল সুনিয়ন্ত্রিত করে;

    ১১. আন্ত্রিক রোগে উপকারী। মধুকে এককভাবে ব্যবহার করলে পাকস্থলীর বিভিন্ন রোগের উপকার পাওয়া যায়;

    ১২. আলচার ও গ্যাস্ট্রিক রোগের জন্য উপকারী;

     ১৩. দুর্বল শিশুদের মুখের ভেতর পচনশীল ঘায়ের জন্য খুবই উপকারী;

    ১৪. শরীরের বিভিন্ন ধরনের নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং উষ্ণতা বৃদ্ধি করে;

    ১৫. ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ মধু স্নায়ু এবং মস্তিষ্কের কলা সুদৃঢ় করে;

    ১৬. মধুতে স্টার্চ ডাইজেস্টি এনজাইমস এবং মিনারেলস থাকায় চুল ও ত্বক ঠিক রাখতে অনন্য ভূমিকা পালন করে;

    ১৭. মধু কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে;

    ১৮. ক্ষুধা, হজমশক্তি ও রুচি বৃদ্ধি করে;

    ১৯. রক্ত পরিশোধন করে;

    ২০. শরীর ও ফুসফুসকে শক্তিশালী করে;

    ২১. জিহ্বার জড়তা দূর করে;

    ২২. মধু মুখের দুর্গন্ধ দূর করে;

    ২৩. বাতের ব্যথা উপশম করে;

    ২৪. মাথা ব্যথা দূর করে;

    ২৫. শিশুদের দৈহিক গড়ন ও ওজন বৃদ্ধি করে;

    ২৬. গলা ব্যথা, কাশি-হাঁপানি এবং ঠাণ্ডা জনিত রোগে বিশেষ উপকার করে;

    ২৭. শিশুদের প্রতিদিন অল্প পরিমাণ মধু খাওয়ার অভ্যাস করলে তার ঠাণ্ডা, সর্দি-কাশি, জ্বর ইত্যাদি সহজে হয় না;

     ২৮. শারীরিক দুর্বলতা দূর করে এবং শক্তি-সামর্থ্য দীর্ঘস্থায়ী করে;

    ২৯. ব্যায়ামকারীদের শক্তি বাড়ায়;

    ৩০. মধু খাওয়ার সাথে সাথে শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে, ফলে শরীর হয়ে উঠে সুস্থ, সতেজ এবং কর্মক্ষম।

    ৫০০ গ্রাম ৩৫০ টাকা। 

    লিচু ফুলের মধু

    ৳ 700.00
    Add to cart
    Quick View
  • সরিষা ফুলের মধু

    ৳ 650.00

    মধু মানুষের জন্য আল্লাহ প্রদত্ত এক অপূর্ব নেয়ামত। স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং যাবতীয় রোগ নিরাময়ে মধুর গুণ অপরিসীম। রাসূলুল্লাহ (সা.) একে ‘খাইরুদ্দাওয়া’ বা মহৌষধ বলেছেন। আয়ুর্বেদ এবং ইউনানি চিকিৎসা শাস্ত্রেও মধুকে বলা হয় মহৌষধ। এটা যেমন বলকারক, সুস্বাদু ও উত্তম উপাদেয় খাদ্যনির্যাস, তেমনি নিরাময়ের ব্যবস্থাপত্রও। আর তাই তো খাদ্য ও ওষুধ এ উভয়বিধ পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ নির্যাসকে প্রাচীনকাল থেকেই পারিবারিকভাবে ‘পুষ্টিকর ও শক্তিবর্ধক’ পানীয় হিসেবে সব দেশের সব পর্যায়ের মানুষ অত্যন্ত আগ্রহ সহকারে ব্যবহার করে আসছে। মধুতে যেসব উপকরণ রয়েছে তন্মধ্যে প্রধান উপকরণ সুগার। সুগার বা চিনি আমরা অনেকই এড়িয়ে চলি। কিন্তু মধুতে গ্লুকোজ ও ফ্রুকটোজ এ দুটি সরাসরি মেটাবলাইজড হয়ে যায় এবং ফ্যাট হিসাবে জমা হয় না। মস্কো বিশ্ববিদ্যালয়ে মধুর নমুনা পরীক্ষায় দেখা গেছে যে, এতে অ্যালুমিনিয়াম, বোরন, ক্রোমিয়াম, কপার, লেড, টিন, জিংক ও জৈব এসিড (যেমন-ম্যালিক এসিড, সাইট্রিক এসিড, টারটারিক এসিড এবং অক্সালিক এসিড), কতিপয় ভিটামিন, প্রোটিন, হরমোনস, এসিটাইল কোলিন, অ্যান্টিবায়োটিকস, ফাইটোনসাইডস, সাইস্টোস্ট্যাটিক্স এবং পানি (১৯-২১%) ছাড়াও অন্যান্য পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে। ভিটামিন যেমন- ভিটামিন সি বা অ্যাসকরবিক এসিড, ভিটামিন বি-১, বি-২, বি-৩, বি-৫, বি-৬, ভিটামিন-ই, ভিটামিন-কে, ভিটামিন-এ বা ক্যারোটিন ইত্যাদি বিদ্যমান। মধু এমন ধরনের ওষুধ, যার পচন নিবারক (অ্যান্টিসেপটিক), কোলেস্টেরলবিরোধী এবং ব্যাকটেরিয়াবিরোধী ধর্ম আছে। প্রতিদিন সকালে এবং বিকালে খালি পেটে চা চামচের দুই চামচ করে মধু ডান হাতের তালুতে নিয়ে চেটে খেতে হবে। নিয়মিত ও পরিমিত মধু সেবন করলে  যেসব উপকার পাওয়া যায়। তা হলো-

    ১. হৃদরোগ প্রতিরোধ করে। রক্তনালি প্রসারণের মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালনে সহায়তা করে এবং হৃদপেশির কার্যক্রম বৃদ্ধি করে;

    ২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে;

    ৩. দাঁতকে পরিষ্কার ও শক্তিশালী করে;

    ৪. দৃষ্টিশক্তি ও স্মরণশক্তি বৃদ্ধি করে;

    ৫. মধুর রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্ষমতা, যা দেহকে নানা ঘাত-প্রতিঘাতের হাত থেকে রক্ষা করে;

    ৬. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে ও কোষকে ফ্রি রেডিকেলের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে;

    ৭. বার্ধক্য অনেক দেরিতে আসে;

    ৮. মধুর ক্যালরি রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়ায়, ফলে রক্তবর্ধক হয়;

    ৯. যারা রক্ত স্বল্পতায় বেশি ভোগে বিশেষ করে মহিলারা, তাদের জন্য নিয়মিত মধু সেবন অত্যন্ত ফলদায়ক;

    ১০. গ্লাইকোজেনের লেভেল সুনিয়ন্ত্রিত করে;

    ১১. আন্ত্রিক রোগে উপকারী। মধুকে এককভাবে ব্যবহার করলে পাকস্থলীর বিভিন্ন রোগের উপকার পাওয়া যায়;

    ১২. আলচার ও গ্যাস্ট্রিক রোগের জন্য উপকারী;

     ১৩. দুর্বল শিশুদের মুখের ভেতর পচনশীল ঘায়ের জন্য খুবই উপকারী;

    ১৪. শরীরের বিভিন্ন ধরনের নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং উষ্ণতা বৃদ্ধি করে;

    ১৫. ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ মধু স্নায়ু এবং মস্তিষ্কের কলা সুদৃঢ় করে;

    ১৬. মধুতে স্টার্চ ডাইজেস্টি এনজাইমস এবং মিনারেলস থাকায় চুল ও ত্বক ঠিক রাখতে অনন্য ভূমিকা পালন করে;

    ১৭. মধু কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে;

    ১৮. ক্ষুধা, হজমশক্তি ও রুচি বৃদ্ধি করে;

    ১৯. রক্ত পরিশোধন করে;

    ২০. শরীর ও ফুসফুসকে শক্তিশালী করে;

    ২১. জিহ্বার জড়তা দূর করে;

    ২২. মধু মুখের দুর্গন্ধ দূর করে;

    ২৩. বাতের ব্যথা উপশম করে;

    ২৪. মাথা ব্যথা দূর করে;

    ২৫. শিশুদের দৈহিক গড়ন ও ওজন বৃদ্ধি করে;

    ২৬. গলা ব্যথা, কাশি-হাঁপানি এবং ঠাণ্ডা জনিত রোগে বিশেষ উপকার করে;

    ২৭. শিশুদের প্রতিদিন অল্প পরিমাণ মধু খাওয়ার অভ্যাস করলে তার ঠাণ্ডা, সর্দি-কাশি, জ্বর ইত্যাদি সহজে হয় না;

     ২৮. শারীরিক দুর্বলতা দূর করে এবং শক্তি-সামর্থ্য দীর্ঘস্থায়ী করে;

    ২৯. ব্যায়ামকারীদের শক্তি বাড়ায়;

    ৩০. মধু খাওয়ার সাথে সাথে শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে, ফলে শরীর হয়ে উঠে সুস্থ, সতেজ এবং কর্মক্ষম।

    ৫০০ গ্রাম ৩২৫ টাকা। 

    সরিষা ফুলের মধু

    ৳ 650.00
    Add to cart
    Quick View
  • Nutra spirulina (60 pes)

    ৳ 700.00

    জেনে নিন স্পিরুলিনার ওষুধি গুণাগুণ

    স্পিরুলিনা নামটি শুনেই ভ্রু কুচকে গেল তাই না? এটি আবার কী জিনিস? স্পিরুলিনা আসলে সামুদ্রিক শৈবালের নাম। আসুন তাহলে জেনে নেই স্পিরুলিনা সম্পর্কে। 

    পরিচয়: স্পিরুলিনা একটি নীলাভ-সবুজ শৈবাল। এটি সাধারণত পানিতে জন্মে। তবে সামুদ্রিক শৈবাল হিসেবেই এটি বেশি পরিচিত। স্পিরুলিনা নামটি নেয়া হয়েছে মূলত ল্যাটিন শব্দ Spira থেকে। যার অর্থ সর্পিলাকার বা পাকানো। কারণ স্পিরুলিনা দেখতে সর্পিলাকারের হয়ে থাকে। এটি সাধারণত সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শক্তি উৎপন্ন করে থাকে।

    ব্যবহার: স্পিরুলিনা সাধারণত সবজি হিসেবে খাওয়া হয়। নামটি অপরিচিত হলেও এতে প্রায় সব ধরনের নিউট্রিয়েন্ট রয়েছে।

    উপাদান: এরমধ্যে প্রোটিন ৬০-৭০%। যার বেশিরভাগই ইসেনশিয়াল অ্যামাইনো অ্যাসিড দিয়ে গঠিত। কার্বোহাইড্রেট ১৫% হিসেবে থাকে গ্লাইকোজেন, ফ্যাট ৫-৮% মূলত ইসেনশিয়াল ফ্যাটি অ্যাসিড যেমন গামা লিনোলেয়িক অ্যাসিড বেশি থাকে। এছাড়াও মিনারেলসের মধ্যে রয়েছে আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম ও সেলেনিয়াম। ভিটামিনের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন বি১, বি২, বি৩, বি৬, বি১২, ভিটমিন-ই ও ভিটমিন-কে। আর ন্যাচারাল পিগমেন্টের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ক্লোরোফিল, জ্যান্থোফিল, বিটা ক্যারোটিন ও ফাইটোসায়ানি

    সুপার ফুড: এতে সব ধরনের পুষ্টি উপাদান বিদ্যমান থাকায় একে ‘সুপার ফুড’ বলা হয়। সুপার ফুড বলার আরও কয়েকটি কারণ আছে। এতে মাছ ও গরুর মাংসের তুলনায় ৩ গুণ এবং ডিমের তুলনায় ৬ গুণ বেশি প্রোটিন রয়েছে। সয়াবিনের তুলনায় ২ গুণ বেশি মিনারেল রয়েছে। আটার চেয়ে ৪ গুণ বেশি ফাইবার বা খাদ্য আঁশ রয়েছে। এতে গাজরের তুলনায় ৫ গুণ ও পালং শাকের তুলনায় ৪০ গুণ বেশি ক্যারোটিন রয়েছে। দুধের তুলনায় ১০ গুণ বেশি ক্যালসিয়াম রয়েছে। এতে পালং শাকের তুলনায় ৬৫ গুণ বেশি এবং গরুর মাংসের তুলনায় ৩০ গুণ বেশি আয়রন থাকে। এটি পুষ্টিসমৃদ্ধ একটি সবজি।

    এবার তবে জেনে নেয়া যাক স্পিরুলিনার ওষুধি গুণাগুণ সম্পর্কে-

    গর্ভবতীর রক্তাল্পতা প্রতিরোধ: স্পিরুলিনাতে প্রচুর ক্লোরোফিল রয়েছে। যা রক্তের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিমোগ্লোবিনে রূপান্তরিত হতে পারে এবং রক্তাল্পতা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। তাছাড়া স্পিরুলিনাতে ভিটামিন বি১২, ফলিক অ্যাসিড, আয়রন ও অ্যামাইনো অ্যাসিড রয়েছে। যা রক্ত তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

    আদর্শ খাবার: এতে বেশি পরিমাণে প্রোটিন ও ভিটামিন বি১২ রয়েছে। যা নিরামিষভোজীদের এ দুটি পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি কমায়। কারণ তাদের খাদ্য তালিকায় প্রোটিন ও ভিটামিন বি১২ অনুপস্থিত থাকে।

    রক্ত পরিষ্কার করে: এতে প্রচুর ক্লোরোফিল ও ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে। এই ক্লোরোফিল ও ম্যাগনেসিয়াম মিলিত হয়ে রক্তের দূষক পদার্থসমূহ দূর করে এবং রক্ত পরিষ্কার করতে সহায়তা করে। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন ৯-১০ গ্রাম করে স্পিরুলিনা খাওয়ালে ৪-৬ মাস পর রোগির আর্সেনিকজনিত চর্মরোগ সম্পূর্ণরূপে উপশম হয়।

    হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়: এতে উচ্চমাত্রায় গামা লিনোলেয়িক অ্যাসিড রয়েছে। যা দেহের ক্ষতিকারক এলডিএলের মাত্রা কমিয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

    ক্যান্সার থেকে রক্ষা: স্পিরুলিনা ক্যান্সার হওয়া থেকে রক্ষা করে। স্পিরুলিনার নীল-সবুজ রং ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করতে সক্ষম হয়। স্পিরুলিনা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যেমন সেলেনিয়াম, বিটা ক্যারোটিন, টোকোফেরল, ফেনলিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ। যা বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে।

    হজমশক্তি বাড়ায়: ই-কোলাই এবং ক্যান্ডিডার মত ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি দমন করে। স্পিরুলিনা পাচনতন্ত্রে বসবাসকারী ব্যাকটেরিয়া lactobacillus ও bifidobacteria এর মত ভালো ব্যাকটেরিয়া তৈরি করে। সুতরাং এটি পুষ্টি শোষণ করে শরীরের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে হজমশক্তি বাড়ায়।

    কিডনিকে রক্ষা করে: স্পিরুলিনার ক্লোরোফিল একটি উচ্চ ঘনত্ব সম্পন্ন এবং সেরা প্রাকৃতিক detoxifiers; এটি কিডনি থেকে ভারি ধাতু, ক্ষতিকারক রশ্মি এবং দূষণকারী ধাতু সরিয়ে কিডনির বিষাক্ততা কমায়।

    ডায়াবেটিস প্রতিরোধে: এটি রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমিয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আনতে সহায়তা করে। কারণ এতে প্রচুর ফাইবার রয়েছে। যা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা সহজে বাড়তে দেয় না।

    Nutra spirulina (60 pes)

    ৳ 700.00
    Add to cart
    Quick View
  • Nutra aloe masic (100g)

    ৳ 660.00

    উপকারিতাঃ

    ১) কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময় করে ২) মলাশয় শীতলকারক 

    ৩) মেয়েদের হাত পায়ের জ্বালা কমায়

    ৪) ত্বকের শুষ্কতা দূর করে উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনে 

    ৫) স্বপ্নদোষ রোধ করে এবং বীর্যের ঘনত্ব বৃদ্ধি করে 

     ৬) রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল কমায় 

    ৭) জন্ডিস নিরাময় করে 

    ৮) কৃমিনাশক হিসেবে কার্যকর এবং 

    ৯) ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে

     সেবনবিধিঃ

     প্রতিদিন সকালে এক চামচ পাউডার এক গ্লাস পানি দিয়ে ভালোভাবে নেড়ে কিছু সময় রেখে দিন। তারপর নাস্তার ১০-১৫ মিনিট পূর্বে সেবন করতে হবে অথবা আপনার হেলথকেয়ার কনসালটেন্টের পরামর্শ নিন।

    Nutra aloe masic (100g)

    ৳ 660.00
    Add to cart
    Quick View
  • নিঊট্রা গ্যাস্ট্রো কেয়ার (১০০ গ্রাম)

    ৳ 650.00

    উপকারিতাঃ

    ১) কোষ্ঠকাঠিন্য গ্যাস্ট্রিক ও বুক জ্বালাপোড়া দূর করে

     ২) হজম শক্তি বৃদ্ধি করে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে 

    ৩) রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়

     ৪) শারীরিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে ৫) রক্তচাপ ও হৃদরোগ কমায়

     ৬) রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল কমায় ৭) কফ নিঃসরণ করে

     ৮) লিভারের পিত্ত নিঃসরণ বাড়ায় 

    ৯) যকৃত বা লিভারের রোগ প্রতিরোধ করে 

    ১০) ক্যান্সার প্রতিরোধ করে

     ১১) অতিরিক্ত ওজন হ্রাস করে, ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করে ও এলার্জি ইত্যাদি। 

    সেবন বিধিঃ

     যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি তারা সকালে ও রাতে খাবারের ১০ মিনিট আগে ১০০ মিলি পানির সহিত এক চামচ পাউডার গুলিয়ে সেবন করবেন এবং যারা স্বাভাবিক অবস্থায় আছেন কিন্তু বুক জ্বালাপোড়া করে সে সকল ব্যক্তিরা শুধুমাত্র রাতে এক চামচ পাউডার খাবারের ১০ মিনিট পূর্বে উপরোক্ত নিয়মে সেবন করবেন অথবা নিউট্রিশনিষ্টের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করুন।

    নিঊট্রা গ্যাস্ট্রো কেয়ার (১০০ গ্রাম)

    ৳ 650.00
    Add to cart
    Quick View
  • নিউট্রা পাইলস্ কেয়ার (১০০ গ্রাম)

    ৳ 750.00

    পাইলস কি?

     মলত্যাগের সময় বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা বা চাপের কারণে রেকটামের চারপাশে মাংসপেশিগুলো ফুলে ওঠা, ব্যথা করা  রক্ত পড়া বা ঝুলে পড়াকে পাইলস্ বলে। 

    লক্ষণঃ

    আগে বা পরে তাজা রক্ত পড়া বা নরম তুলতুলে মাংসপিণ্ড অনুভব করা। মলদ্বারে ব্যথা অনুভব, চুলকানি ও জ্বালাপোড়া থাকতে পারে।

     করণীয়ঃ 

    উপরোক্ত লক্ষণসমূহ পরিলক্ষিত হলে অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি নিম্নোক্ত নিয়মগুলো মেনে চলতে হবে।

     * প্রতিদিন খাবারের তালিকায় আঁশযুক্ত খাবার রাখতে হবে যেমন শাকসবজি ফলমূল ইত্যাদি।,

     * তরল খাবার বেশি বেশি খেতে হবে 

    * দেহের ওজন স্বাভাবিক রাখতে হবে

     পাইলস কেয়ার যে জন্য প্রযোজ্য ঃ

    মলত্যাগের সময় মলদ্বারে ব্যথা অনুভব হয় অথবা হালকা রক্ত বের হয় বা পাইলস এর প্রারম্ভিক লক্ষণ পরিলক্ষিত হয় সে ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকর।

     ব্যবহার বিধিঃ 

    সকালে ও রাতে খাবার পর এক বা দুই চামচ পাউডার পানির সহিত সেব্য।

    নিউট্রা পাইলস্ কেয়ার (১০০ গ্রাম)

    ৳ 750.00
    Add to cart
    Quick View
  • Nutra Dialin (400g)

    ৳ 750.00

    উপাদানঃ হোয়াইট ওট পাউডার, আমলকি, করোল্লা, আলফালফা পাতা, রসুন, মেথি  কালোজিরা, কুমড়ার বীজ ও অন্যান্য প্রাকৃতিক উপাদান সংমিশ্রণে তৈরি। এতে রয়েছে প্রোটিন,  জার্মেনিয়াম, সেলেনিয়াম, জিংক, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, নিমবিন, নিমবিডিম, কোর্য়েসেটিন, নিজেলোন, সেপোজেনিন, ফসফরাস, গ্লাইকোসাইড,  লিপোইক এসিড, ইউবিকুইলোন এন্টি অক্সিডেন্ট ইত্যাদি।

     কার্যকারিতাঃ

    ১) রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণ করে

     ২) রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে

     ৩) অতিরিক্ত মেদ কমাতে বাধাগ্রস্ত  করে

     ৪) এলার্জি কমায়

     ৫) খারাপ কোলেস্টেরল কমায় এবং ফ্রী এইচ ডি এল অপরিবর্তিত রাখে

    ৬) পাকস্থলীর কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং হজম প্রক্রিয়া উন্নতি ঘটায় 

    ৭) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে 

    ৮) প্রাকৃতিক ভিটামিন ও মিনারেলস এর যোগান দেয় 

    ৯) প্যানক্রিয়াস সুস্থ অবস্থায় ফিরে আসে এবং

    ১০) হৃদপিণ্ড ভালো রাখে সেবনবিধিঃ খালি পেটে ৩০ মিনিট পূর্বে ৫ থেকে ১০ গ্রাম পাউডার ২০০ মিলি লিটার ঠান্ডা পানির সাথে ভালো করে মিশিয়ে সেবন করতে হবে এবং রাতে আহারের ৩০ মিনিট আগে অনুরূপ ভাবে সেব্য।

    Nutra Dialin (400g)

    ৳ 750.00
    Add to cart
    Quick View
  • সজনে পাতা গুঁড়া (১০০ গ্রাম)

    ৳ 775.00

    গাছটার বৈজ্ঞানিক নাম মরিংগা ওলেইফেরা (Moringa Oleifera)। ইংরেজিতে গাছটিকে মিরাকল ট্রি বা অলৌকিক গাছ নামেও আখ্যায়িত করা হয়েছে।

    এই গাছের প্রতি গ্রাম পাতায় গাজরের চারগুন বেশি  ভিটামিন এ, দুধের চেয়ে ৪ গুণ বেশি ক্যালসিয়াম, কলার চেয়ে ৩ গুণ বেশি পটাসিয়াম, কমলালেবুর চেয়ে সাতগুণ বেশি ভিটামিন, দইয়ের চেয়ে ২ গুণ বেশি প্রোটিন আছে।

    চার হাজার বছর ধরে রন্ধন এবং নানা চিকিৎসায় এ গাছের ব্যবহার হয়ে আসছে। প্রায় ৩০০ রকমের অসুখের চিকিৎসা হয় এই গাছ দিয়ে। দক্ষিণ এশিয়ায় বহু বছর ধরে বাড়ির আনাচে-কানাচে, বনে-জঙ্গলে, পুকুরের ধারে এই গাছ দেখা যায়। সম্প্রতি সেনেগাল, মালির মতো আফ্রিকান দেশগুলোতে এর চাষ হচ্ছে বাণিজ্যিকভাবে। চাষও খুব সহজ। গাছের একটা ডাল পুতে দিলেই হলো। এই গাছ বাড়েও খুব দ্রুত। দুই তিন বছরে ফুল দেয়। এর ফুল, পাতা, ফল সব কিছুই সুস্বাদু।এতক্ষণ যে বিস্ময়গাছটির গুণগান করা হলো তার বাংলা নামটা চেনেন না, এমন লোকের সংখ্যা খুবই কম। চেনা জিনিসের মূল্য হয়তো আমরা কম দেই, কিন্তু সারা বিশ্বই আজ এই গাছ নিয়ে গবেষণা করছে, এই গাছের জয় জয়কার চারদিকে। এই বিস্ময়বৃক্ষটি আমাদের সবার পরিচিত সজিনা বা সজনে গাছ।

    আমরা হয়তো কম-বেশি সবাই সজিনার ডাল বা তরকারি খেয়েছি। কিন্তু সজনে পাতাও যে শাক হিসেবে খাওয়া যায়, এটা সবাই জানি না। তেল-রসুন দিয়ে রান্না সজিনে খেতে শুধু সুস্বাদুই নয়, পুষ্টিকরও। সজিনা পাতা ও সজিনাতে প্রচুর আঁশ আছে, যা খাদ্যনালী ও অন্ত্রের পরিপাক তন্ত্রকে পরিষ্কার করে। বিশেষ করে তৈলাক্ত অনেক খাবার আমরা খাই, যার তেল রক্তনালীতে আটকে থাকে। সেগুলো বের করতে সজিনা সাহায্য করে। সজিনার মধ্যে আইসোথিয়োকাইনেটস নামের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান আছে,  যা গ্যাস্ট্রিক, আলসার এবং গ্যাস্ট্রিকজনিত ক্যানসার ঠেকাতে সহায়তা করে।

    পানি বিশুদ্ধ করতে আমরা প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম নানা পদ্ধতি ব্যবহার করি। সাম্প্রতিক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, সজিনার দানা পানি বিশুদ্ধকরণে সবচেয়ে ভালো প্রাকৃতিক উপায়। উপস্যুলা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক গবেষণা সন্দর্ভে বলা হয়েছে, সজিনার দানা পানি দূষণ রোধ করে, পানিতে কোনো রকম দূষণীয় ব্যাকটেরিয়া বা অন্য কোনো অণুজীব উপদান দ্রবীভূত হতে দেয় না। আমেরিকা, নামিবিয়া, ফ্রান্স ও বতসোয়ানার কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, সজিনার আণবিক্ষণিক প্রোটিন উপাদান পানি বিশুদ্ধকরণে বিশেষ ভূমিকা রাখে। একইভাবে সজিনা শরীরকে বিশুদ্ধ রাখে। সজিনাকে আজকের বিশ্বে ‘সুপার ফুড’ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে।

     এই সুপার ফুডের অন্তত ছয়টি গুণ আছে, যা একে তারকাখ্যাতি দিয়েছে-

    ১. পুষ্টির ভান্ডার : লেখার শুরুতেই সজিনার পুষ্টি গুণের কথা বলা হয়েছে। প্রোটিন, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়ামের পাশাপাশি এতে আয়রনও আছে। আয়রনের দিক থেকে এটি পালং শাকের চেয়ে ৫ গুণ বেশি শক্তিশালী।

    ২. এন্টি-অক্সিডেন্টের খনি : সজিনার পাতাকে এন্টি-অক্সিডেন্টের খনি বলা যায়। এর মধ্যে ভিটামিন সি, বেটা-কেরোটিন, কিউরেকটিন এবং ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড বিদ্যমান। উল্লেখ্য, এসব উপাদানই মানবদেহের জন্য উপকারী। বিশেষ করে, ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড রক্তের চাপ ও শর্করা কমাতে বিশেষ কাজে দেয়। এশিয়ান প্যাসিফিক জার্নাল অব ক্যানসার প্রিভেনশন দারি করছে, সজিনার পাতায় বিদ্যমান এন্টি-অক্সিডেন্ট ক্যানসার কোষ সৃষ্টিতে বাধা দেয়।

    ৩. ডায়েবেটিস প্রতিরোধক : এন্টি-অক্সিডেন্ট এবং আইসোথিয়োকাইনেটস নামের উপাদানগুলো নিয়মিত গ্রহণে ডায়েবেটিস কমে যায়। প্রতিদিন মাত্র ৫০ গ্রাম সজিনার পাতা খেয়ে ডায়বেটিস ২১ শতাংশ হ্রাস পায়। তিন মাস এক চা চামচ করে সজিনার পাতার গুড়া খেয়ে ডায়েবেটিস নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।

    ৪. তেলেসমাতি : সজিনার বীজের তৈরি তেলে সত্যিই তেলেসমাতি আছে। অন্য যেকোনো ভেজিটেবেল অয়েল-এর চেয়ে এর গুণাগুণ বেশি। দীর্ঘদিনের লিভারের রোগীর জন্য এ তেল খুব উপকারী। সজিনা গ্রহণে খাদ্যের গুণগত মান অটুট থাকে। পচনশীল খাবারকে দীর্ঘস্থায়ীত্ব দিতেও সজিনার তেলের তুলনা নেই। বাতের ব্যথা-বেদনায় যেমন ব্যবহার করা যায়, তেমনি শীতের আর্দ্রতা থেকে ত্বককে রক্ষা করা, রূপচর্চাতেও এই তেল কাজে লাগে।

    ৫. কোলেস্টেরল কিলার : ঘাতক কোলেস্টেরলকে হত্যা করে সজিনা আপনার হৃদপি-ের বন্ধু হয়ে উঠতে পারে। থাইল্যান্ডে বহু বছর ধরে সজিনাকে হৃদরোগের ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ৩ মাসের ব্যবহারে এটি কোলেস্টেরল লেভেল অর্ধেকে নামিয়ে আনতে পারে।

    ৬. আর্সেনিক দূষণ আর নয় : পানিতে আর্সেনিক দূষণ একটি বৈশ্বিক সমস্যা। এই সমস্যা নিরোধে সজিনার বীজ কিংবা পাতা ভূমিকা রাখে। এমনকি আর্সেনিক দূষণে আক্রান্ত রোগীকে সুস্থ করতে সজিনা বীজ বা পাতা ব্যবহার কার্যকরী।

    সজনে পাতা গুঁড়া (১০০ গ্রাম)

    ৳ 775.00
    Add to cart
    Quick View
  • Nutra vital Gold (100gm)

    ৳ 750.00

    কার্যকারিতাঃ

    যৌন জীবনের গোপন সমস্যা দূর করে, যৌনাঙ্গের শিথিলতা কাটায়, সাধারন বলকারক, মহিলা ও পুরুষের হরমোন ব্যালেন্স করে, শুক্রাণু বৃদ্ধি করে, বন্ধ্যাত্ব দূরীকরণে সহায়তা করে, এবং দাম্পত্য জীবনকে আনন্দময় করে এবং মিলনের মুহূর্তটির সময় বাড়িয়ে দিতে সক্ষম। 

    সেবনবিধিঃ

    আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী ১ চা চামচ পাউডার রাতে খাবারের এক ঘন্টা পর এক গ্লাস কুসুম গরম দুধ অথবা পানির সাথে মিশিয়ে সেবন করতে হবে। অথবা হেলথ কনসালট্যান্টের পরামর্শ অনুযায়ী সেব্য।

     সর্তকতাঃ

     যাদের হৃদরোগ রয়েছে বা ব্লকেজ বা উচ্চ রক্তচাপ আছে তারা অর্ধেকটা চা চামচ করে খেতে পারেন এক্ষেত্রে হেলথ কনসালট্যান্টের পরামর্শ নেয়া উত্তম।

    Nutra vital Gold (100gm)

    ৳ 750.00
    Add to cart
    Quick View
  • Nutra Bio-protin (400gm)

    ৳ 750.00

    উপাদানঃ সয়া হোয়াইট ওট ও অন্যান্য পুষ্টি সমৃদ্ধ প্রাকৃতিক উপাদানে প্রস্তুতকৃত

     কার্যকারীতাঃ

     ১) শক্তি যোগায় 

    ২) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে 

    ৩) দৈহিক গঠনে সহায়তা করে ৪) দৈহিক ও মানসিক প্রফুল্লতা বাড়ায় 

    ৫)স্মরণশক্তি অতি দ্রুত বাড়ায় ৬) হাড়ের ক্ষয় রোধ করে ইত্যাদি

     সেবনবিধিঃ

     ২০০ মিলি পানিতে চা চামচ অথবা প্রয়োজন অনুযায়ী সকাল দুপুর রাতে অথবা যেকোনো সময় ঠাণ্ডা বা গরম পানির সাথে মিশিয়ে পান করুন। 

    বিঃ দ্রঃ ডায়াবেটিস ও হার্ট ব্লকেজ রোগীরা পান করতে পারবেন না।

    Nutra Bio-protin (400gm)

    ৳ 750.00
    Add to cart
    Quick View
  • Nutra soy Gold (400 gm)

    ৳ 750.00

    একবিংশ শতাব্দীর বিস্ময়কর আবিষ্কার। 

    উপকারিতাঃ

    ১) হৃদরোগ প্রতিরোধ করে

     ২) ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে

     ৩) রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে

    ৪) রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল কমায়

    ৫) হাড়ের ক্ষয় কমায় 

    ৬) মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধি করে ৭)মনোপেজ পরবর্তী জটিলতা কমায় 

    ৮) ক্যান্সার ও টিউমার প্রতিরোধ করে প্রোটিনের ঘাটতি পূরণ করে ইত্যাদি

     সেবনবিধিঃ প্রতিদিন সকাল ও রাতে দুই থেকে তিন চামচ পাউডার 250 মিলি পানির সাথে মিশিয়ে সেবন করতে হবে অথবা নিউট্রশনিস্টের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করবেন।

    সতর্কতাঃ কিডনি রোগীদের ক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে

    Nutra soy Gold (400 gm)

    ৳ 750.00
    Add to cart
    Quick View
  • Nutra spirulina (100 pes)

    ৳ 1,200.00

    জেনে নিন স্পিরুলিনার ওষুধি গুণাগুণ

    স্পিরুলিনা নামটি শুনেই ভ্রু কুচকে গেল তাই না? এটি আবার কী জিনিস? স্পিরুলিনা আসলে সামুদ্রিক শৈবালের নাম। আসুন তাহলে জেনে নেই স্পিরুলিনা সম্পর্কে।

    পরিচয়: স্পিরুলিনা একটি নীলাভ-সবুজ শৈবাল। এটি সাধারণত পানিতে জন্মে। তবে সামুদ্রিক শৈবাল হিসেবেই এটি বেশি পরিচিত। স্পিরুলিনা নামটি নেয়া হয়েছে মূলত ল্যাটিন শব্দ Spira থেকে। যার অর্থ সর্পিলাকার বা পাকানো। কারণ স্পিরুলিনা দেখতে সর্পিলাকারের হয়ে থাকে। এটি সাধারণত সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শক্তি উৎপন্ন করে থাকে।

    ব্যবহার: স্পিরুলিনা সাধারণত সবজি হিসেবে খাওয়া হয়। নামটি অপরিচিত হলেও এতে প্রায় সব ধরনের নিউট্রিয়েন্ট রয়েছে।

    উপাদান: এরমধ্যে প্রোটিন ৬০-৭০%। যার বেশিরভাগই ইসেনশিয়াল অ্যামাইনো অ্যাসিড দিয়ে গঠিত। কার্বোহাইড্রেট ১৫% হিসেবে থাকে গ্লাইকোজেন, ফ্যাট ৫-৮% মূলত ইসেনশিয়াল ফ্যাটি অ্যাসিড যেমন গামা লিনোলেয়িক অ্যাসিড বেশি থাকে। এছাড়াও মিনারেলসের মধ্যে রয়েছে আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম ও সেলেনিয়াম। ভিটামিনের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন বি১, বি২, বি৩, বি৬, বি১২, ভিটমিন-ই ও ভিটমিন-কে। আর ন্যাচারাল পিগমেন্টের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ক্লোরোফিল, জ্যান্থোফিল, বিটা ক্যারোটিন ও ফাইটোসায়ানি

    সুপার ফুড: এতে সব ধরনের পুষ্টি উপাদান বিদ্যমান থাকায় একে ‘সুপার ফুড’ বলা হয়। সুপার ফুড বলার আরও কয়েকটি কারণ আছে। এতে মাছ ও গরুর মাংসের তুলনায় ৩ গুণ এবং ডিমের তুলনায় ৬ গুণ বেশি প্রোটিন রয়েছে। সয়াবিনের তুলনায় ২ গুণ বেশি মিনারেল রয়েছে। আটার চেয়ে ৪ গুণ বেশি ফাইবার বা খাদ্য আঁশ রয়েছে। এতে গাজরের তুলনায় ৫ গুণ ও পালং শাকের তুলনায় ৪০ গুণ বেশি ক্যারোটিন রয়েছে। দুধের তুলনায় ১০ গুণ বেশি ক্যালসিয়াম রয়েছে। এতে পালং শাকের তুলনায় ৬৫ গুণ বেশি এবং গরুর মাংসের তুলনায় ৩০ গুণ বেশি আয়রন থাকে। এটি পুষ্টিসমৃদ্ধ একটি সবজি।

    এবার তবে জেনে নেয়া যাক স্পিরুলিনার ওষুধি গুণাগুণ সম্পর্কে-

    গর্ভবতীর রক্তাল্পতা প্রতিরোধ: স্পিরুলিনাতে প্রচুর ক্লোরোফিল রয়েছে। যা রক্তের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিমোগ্লোবিনে রূপান্তরিত হতে পারে এবং রক্তাল্পতা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। তাছাড়া স্পিরুলিনাতে ভিটামিন বি১২, ফলিক অ্যাসিড, আয়রন ও অ্যামাইনো অ্যাসিড রয়েছে। যা রক্ত তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

    আদর্শ খাবার: এতে বেশি পরিমাণে প্রোটিন ও ভিটামিন বি১২ রয়েছে। যা নিরামিষভোজীদের এ দুটি পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি কমায়। কারণ তাদের খাদ্য তালিকায় প্রোটিন ও ভিটামিন বি১২ অনুপস্থিত থাকে।

    রক্ত পরিষ্কার করে: এতে প্রচুর ক্লোরোফিল ও ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে। এই ক্লোরোফিল ও ম্যাগনেসিয়াম মিলিত হয়ে রক্তের দূষক পদার্থসমূহ দূর করে এবং রক্ত পরিষ্কার করতে সহায়তা করে। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন ৯-১০ গ্রাম করে স্পিরুলিনা খাওয়ালে ৪-৬ মাস পর রোগির আর্সেনিকজনিত চর্মরোগ সম্পূর্ণরূপে উপশম হয়।

    হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়: এতে উচ্চমাত্রায় গামা লিনোলেয়িক অ্যাসিড রয়েছে। যা দেহের ক্ষতিকারক এলডিএলের মাত্রা কমিয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

    ক্যান্সার থেকে রক্ষা: স্পিরুলিনা ক্যান্সার হওয়া থেকে রক্ষা করে। স্পিরুলিনার নীল-সবুজ রং ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করতে সক্ষম হয়। স্পিরুলিনা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যেমন সেলেনিয়াম, বিটা ক্যারোটিন, টোকোফেরল, ফেনলিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ। যা বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে।

    হজমশক্তি বাড়ায়: ই-কোলাই এবং ক্যান্ডিডার মত ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি দমন করে। স্পিরুলিনা পাচনতন্ত্রে বসবাসকারী ব্যাকটেরিয়া lactobacillus ও bifidobacteria এর মত ভালো ব্যাকটেরিয়া তৈরি করে। সুতরাং এটি পুষ্টি শোষণ করে শরীরের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে হজমশক্তি বাড়ায়।

    কিডনিকে রক্ষা করে: স্পিরুলিনার ক্লোরোফিল একটি উচ্চ ঘনত্ব সম্পন্ন এবং সেরা প্রাকৃতিক detoxifiers; এটি কিডনি থেকে ভারি ধাতু, ক্ষতিকারক রশ্মি এবং দূষণকারী ধাতু সরিয়ে কিডনির বিষাক্ততা কমায়।

    ডায়াবেটিস প্রতিরোধে: এটি রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমিয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আনতে সহায়তা করে। কারণ এতে প্রচুর ফাইবার রয়েছে। যা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা সহজে বাড়তে দেয় না।
    সেবনবিধি- প্রতিদিন সকাল ও রাতে ১-২ টা ক্যাপস্যুল অথবা নিউট্রিশনিষ্টের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করুন

    Nutra spirulina (100 pes)

    ৳ 1,200.00
    Add to cart
    Quick View
  • Nutra soy chocolate (400 gm)

    ৳ 750.00

    একবিংশ শতাব্দীর বিস্ময়কর আবিষ্কার 

    উপকারিতাঃ 

    ১) প্রচুর ইন্সট্যান্ট এনার্জি সমৃদ্ধ ফাইবার ড্রিংক্স  যা হাড় মজবুত করে, কর্মোদ্যম বাড়িয়ে দেয়।

     ২) প্রোটিন, ভিটামিন ও মিনারেল ঘাটতি দূর করে, দেহকে করে সতেজ নিরোগ ও ক্লান্তিহীন।

    ৩) কোলেস্টেরল ও ল্যাকটোজ মুক্ত। 

    ৪) ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড সমৃদ্ধ। 

    ৫)প্রচুর এস্ট্রোজেন সমৃদ্ধ যা দেহের ভারসাম্য ঠিক রাখে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।

     সেবন বিধিঃ প্রতিদিন সকাল ও রাতে দুই থেকে তিন চামচ পাউডার 250 মিলি পানির সাথে মিশিয়ে সেবন করতে হবে অথবা নিউট্রিশনিস্ট এর পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করবেন।

    Nutra soy chocolate (400 gm)

    ৳ 750.00
    Add to cart
    Quick View
  • Aloe Moisturizing Lotion

    ৳ 988.00 ৳ 692.00

    এই অনন্য লসনে আছে দুর্লভ উপাদান ও ত্বক ময়েশ্চারাইজিং করার বিশেষ গুণ। অ্যালোভেরা, জোজবা অয়েল, কোলাজেন, ইলাস্টিন, ভিটামিন ই এবং hyaluronate সমৃদ্ধ যা ত্বকের হারানো ময়েশ্চার ফিরিয়ে আনে। প্রাকৃতিক ভাবে ব্যালেন্স ও হওয়াতে ত্বকের ভেতরে খুব সহজে ঢুকে ত্বককে নরম, দীপ্তিময় ও মসৃণ রাখতে সাহায্য করে।

    Sale!

    Aloe Moisturizing Lotion

    ৳ 988.00 ৳ 692.00
    Add to cart
    Quick View
  • Aloe Sunscreen

    ৳ 988.00 ৳ 692.00

    SPE-30 সমৃদ্ধ, সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি UVA ও UVB থেকে দেয় বিশেষ সুরক্ষা। ৮০ মিনিট পানিতে ভেজার পরও sun protection factor বজায় থাকে। এই silky smooth লোশন তৈরি হয় শুধু মাত্র aloe vera,  উন্নত ময়েশ্চারাইজার সমৃদ্ধ প্রাকৃতিক নির্যাস থেকে যা ত্বকের প্রাকৃতিক আদ্রতা বজায় রাখে।          

    Sale!

    Aloe Sunscreen

    ৳ 988.00 ৳ 692.00
    Add to cart
    Quick View
  • Forever Aloe Scrub

    ৳ 1,038.00 ৳ 778.00

    Aloe vera এবং জোজবা তেলের সমন্বয়ে তৈরি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দানা এর মিশ্রণ, ত্বকে প্রতিদিন ব্যবহারে মৃতকোষ সরিয়ে ত্বককে কোমল ও মসৃন করে,  লোমকুপ খুলে যাওয়া ও পরিষ্কারের মাধ্যমে ত্বকের নিজস্ব পুনর্গঠন প্রক্রিয়া সচল রাখে এবং ত্বক হয় দীপ্তিময় ও সুন্দর।    

    Sale!

    Forever Aloe Scrub

    ৳ 1,038.00 ৳ 778.00
    Add to cart
    Quick View
  • Aloe vera Gelly

    ৳ 988.00 ৳ 692.00

    Aloe vera  জেলী মূলতঃ aloe vera পাতার ভেতরের পাতার হুবহু অনুরুপ।  ১০০% স্ট্যাবিলাইজড aloe vera জেল ত্বকের সংবেদনশীল কোষকে সচল করে। বাহ্যিক প্রোয়োগের জন্য বিশেষভাবে তৈরি যা ত্বককে আদ্র, মসৃণ, নরম ও কোমল করে। অনায়াসে ত্বক এটি শোষণ করতে পারে।    

    Sale!

    Aloe vera Gelly

    ৳ 988.00 ৳ 692.00
    Add to cart
    Quick View
  • Aloe Propolis Creme

    ৳ 1,314.00 ৳ 920.00

     অ্যালোভেরা, বী প্রপোলিস ক্যামোমাইল এবং ভিটামিন এ ও ই এর অনন্য মিশ্রণ, যা শুষ্ক ফাটা বা ক্ষতিগ্রস্ত ও অমসৃণ ত্বককে নরম কোমল ও মসৃণ করতে সাহায্য করে

    Sale!

    Aloe Propolis Creme

    ৳ 1,314.00 ৳ 920.00
    Add to cart
    Quick View
  • Aloe Blossom Herbal Tea

    ৳ 1,162.00 ৳ 813.00

    ক্যাফেইন যুক্ত এবং aloe ফুলের সাথে আরো ১০ টি হার্বস্ ( Cinnamon, ginger,  fragrant cloves, soothing,  allspice, zesty orange peel, plus cardamon, fennel,  chamomile, blackberry leaf and gymnema sylvestre) এর সমন্বয়ে চমৎকার স্বাদ ও মনোমুগ্ধকর গন্ধযুক্ত aloe blossom herbal tea                    

    Sale!

    Aloe Blossom Herbal Tea

    ৳ 1,162.00 ৳ 813.00
    Add to cart
    Quick View
  • Aloe Marne Mask

    ৳ 1,489.00 ৳ 1,042.00

    সামুদ্রিক মিনারেল এর সাথে অ্যালোভেরা, মধু ও শসার উৎকৃষ্ট নির্যাসযুক্ত যা ত্বকের গভীরে থেকে ময়লা দূর করে ত্বককে আদ্র, টানটান ও উজ্জ্বল করে। ত্বককে দেয় তরতাজা ও প্রাণবন্ত অনুভূতি।

    Sale!

    Aloe Marne Mask

    ৳ 1,489.00 ৳ 1,042.00
    Add to cart
    Quick View
  • Aloe Lips Gel

    ৳ 234.00 ৳ 164.00

    অ্যালোভেরার যন্ত্রণা উপশম করার বিশেষ গুণ সমৃদ্ধ aloe lips যা ঠোঁটের যত্নে আদর্শ। aloe, জোজবা ও মৌমম এর সমন্বয়ে সব ঋতুতে ব্যবহারের জন্য উপযোগী আরামদায়ক এবং ফাটা ও শুষ্ক ঠোঁটকে মসৃণ ও আর্দ্র করে।

    Sale!

    Aloe Lips Gel

    ৳ 234.00 ৳ 164.00
    Add to cart
    Quick View
  • Forever Alluring Eyes

    ৳ 1,602.00 ৳ 1,121.00

    ফরএভার অ্যালুরিং আইস হচ্ছে চোখের নীচের ত্বকের সঞ্জীবনী শক্তি পূনরুদ্ধার করার ক্রীম। সাথে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার যা চোখের চারিপাশের বলি রেখা, চিকন লম্বা রেখা এবং চোখের নীচের দাগ কমাতে সাহায্য করে। এটা অতি উৎকৃষ্ট কিছু প্রাকৃতিক নির্যাসের মিশ্রণে সমৃদ্ধ যা চোখের চারিপাশের স্পর্শকাতর ত্বককে কোমল এবং পেলব রেখে টান টান করতে সাহায্য করে।

    * চোখের চারিপাশের বলিরেখা ও চিকন লম্বা রেখে কমাতে সাহায্য করে

    * ভিটামিন ই-চোখের চারিপাশের ত্বককে নরম ও ময়েশ্চারাইজ করে

    * চোখের নীচের ফোলা ভাব কমাতে সাহায্য করে

    * অনন্য ও সতেজ সুগন্ধি যুক্ত

    Sale!

    Forever Alluring Eyes

    ৳ 1,602.00 ৳ 1,121.00
    Add to cart
    Quick View
  • Forever EPIBLANC

    ৳ 1,321.00 ৳ 924.00

    ফরএভার এপিব্লাংক অনন্য ফর্মুলায় বিশেষ ভাবে তৈরি যা ব্যবহারে আপনার মুখ মন্ডল উন্নতির মাধ্যমে ত্বকে এনে দেয় বাড়তি সৌন্দর্য। Aloe Vera, Arbutin (Bearberry), Rumex Occidentalis এবং Natural Vitamin E এই সব প্রাকৃতিক উপকরণের ভিত্তি এই দ্রব্যের বিশেষ বিশেষত্ব প্রমাণ করে।

    ফরএভার এপিব্লাংক সরাসরি আপনার ত্বকের উপর দাগ ছোপ বা কালো দাগের উপর ব্যবহার করলে সবচেয়ে বেশী কার্যকরী হবে। দিনের বেলায় অ্যালো সানস্ক্রিন এর সাথে ফরএভার এপিব্লাংক ব্যবহার করুন।

    * আলতো ভাবে ব্যবহারে ত্বকের মস্রিণতা বাড়ায়

    * রং উজ্জ্বল করে চেহারায় আনতে সহায়তা করে বাড়তি সৌন্দর্য

    * ত্বকের কালো দাগ দূর করতে সহায়তা করে

    Sale!

    Forever EPIBLANC

    ৳ 1,321.00 ৳ 924.00
    Add to cart
    Quick View