সকালে হাঁটার উপকারিতা

May 13, 2022 0 By jarlimited

সবচেয়ে সহজ ব্যায়ামের মধ্যে একটি হলো হাঁটা। যারা নিয়মিত হাঁটেন তারা প্রাকৃতিকভাবে সুস্থ ও প্রাণবন্ত থাকেন। দৈনন্দিন শারীরিক কার্যক্রম না থাকার ফলে শরীরে বিভিন্ন রোগ বাসা বাঁধে। সকালে হাঁটলে শরীরে বিশুদ্ধ অক্সিজেন পৌঁছায় যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং অসুখ হওয়ার প্রবণতা কমায়। সবার প্রতিদিন সকালে কমপক্ষে ২০ থেকে ৩০ মিনিট হাঁটা উচিত কেননা-

নিয়মিত যারা হাঁটহাটি করেন তাদের স্ট্রোক ও হার্টের অসুখের সম্ভবনা কম থাকে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে হাঁটার ফলে শতকরা ২৭ ভাগ পর্যন্ত উচ্চরক্তচাপজনিত সমস্যা কমে। উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। এছাড়াও শরীর থেকে ক্ষতিকর কোলেরেস্টল এলডিআর কমে যায়। শরীরের রক্তচলাচল স্বাভাবিক থাকে। রক্তে চিনির মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে ও স্থূলতার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। হাঁটার সময় হৃদস্পন্দন ও শ্বাসপ্রশ্বাসের গতি বাড়ে এতে হৃদযন্ত্র ও ফুসফুসে রক্ত সরবরাহ বাড়ে।

বয়স বেড়ে যাওয়ার সাথে সাথে শরীরের বিভিন্ন হাড ও সংযোগস্থলে ব্যাথা হয়। শরীরে জয়েন্টগুলোকে ভালো রাখতে হাঁটার বিকল্প নেই। হাঁটার ফলে শরীরের জয়েন্টে ব্যাথা কমে যায়। এছাড়াও নিয়মিত হাঁটার মাধ্যেমে ব্যাকপেইনের সমস্যা কমতে পারে। হাঁটাচলার মাধ্যেমে পায়ের শক্তি বাড়ে।

সকালের পরিবেশ কম দূষিত থাকে বিশুদ্ধ অক্সিজেন পাওয়া যায় । এ সময় হাঁটলে মন স্বাভাবিকভাবে ফুরফুরে থাকে, মন ও শরীর সতেজ হয়। এবং শরীরের প্রতিটি জয়েন্টে বিশুদ্ধ অক্সিজেন প্রবেশ করে এতে মাংসপেশিগুলো শিথিল ও রিলাক্সড হয়। ভোরের নির্মল বাতাস শরীরকে কর্মক্ষম ও ফ্রেশ রাখতে সাহায্য করে।

ডাক্তাররা যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে তাদের নিয়মিত হাঁটার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। হাঁটলে শরীরের পেশিতে ইনসুলিনের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায় ফলে গ্লুকোজ কমে।
এছাড়াও গবেষণায় দেখা গিয়েছে, হাঁটার মাধ্যেমে সুগার নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি হ্রাস করতে সাহায্য করে।

সকালে হাঁটা মানুষের মানসিক চাপ দূর করে, দুশ্চিন্তা মুক্ত করে। এছাড়া মানসিক নির্মলতা ও ক্ষমতার উন্নতি করে, যা দৈনন্দিন কাজে ফোকাস রাখতে সাহায্য করে, ক্লান্তি-অবসাদ দূর করে।